আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 35 মিনিট আগে

সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের চলমান আলোচনার অংশ হিসাবে আজ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকে নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতিকে এ বিষয়ে আইন প্রণয়ন এবং ই-ভোটিং বা ইলেক্ট্রনিক ভোটিং সিস্টেম চালুসহ চারটি প্রস্তাব দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

president adbul hamid and prime minister sheikh hasina

১১ জানুয়ারি আজ বুধবার বিকাল ৪টায় বঙ্গভবনে পৌঁছে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল। দলটির নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে প্রায় দুই ঘণ্টা পর সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলটি বঙ্গবভন থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে সন্ধ্যা সাতটার দিকে ধানমণ্ডিতে সংবাদ সম্মেলন করে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে বিস্তারিত জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, 'নির্বাচন কমিশন গঠন বিষয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছে আওয়ামী লীগ মোট চার দফা প্রস্তাবনা দিয়েছে। প্রস্তাবগুলো হলো-

১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তাসহ অন্য কমিশনারদের নিয়োগ দেবেন।

২. প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি যা উপযু্ক্ত বিবেচনা করবেন, সে প্রক্রিয়ায় তিনি নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ দেবেন।

৩. প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগের লক্ষ্যে সম্ভব হলে এখনই একটি উপযুক্ত আইন প্রণয়ন করা অথবা অধ্যাদেশ জারি করা যেতে পারে। সময় স্বল্পতার কারণে ইসি পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে তা সম্ভব না হলে পরবর্তী নির্বাচন কমিশন গঠনের সময় যেন এর বাস্তবায়ন সম্ভব হয়, সংবিধানের নির্দেশনার আলোকে এখন থেকেই সেই উদ্যোগ গ্রহণ করা।

৪. অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য বিরাজমান সব বিধিবিধানের সঙ্গে জনগণের ভোটাধিকার অধিকতর সুনিশ্চিত করার জন্য আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ই-ভোটিং বা ইলেক্ট্রনিক ভোটিং চালু করা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, 'রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন তাহলে নির্বাচন কমিশন গঠনে গতবারের মতো সার্চ কমিটি গঠন করতে পারেন। এই কমিটিই সবার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারস অন্যান্য কমিশনারের নাম প্রস্তাব করবে।'

ইসি গঠন করতে রাষ্ট্রপতির যেকোন 'ন্যায়সঙ্গত' উদ্যোগে আওয়ামী লীগের শতভাগ সমর্থন থাকবে বলে মন্তব্য করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, 'মহামান্য রাষ্ট্রপতির ওপর আওয়ামী লীগের পরিপূর্ণ আস্থা এবং বিশ্বাস রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তই মেনে নেয়া হবে। যদি আওয়ামী লীগের দেয়া চারটি প্রস্তাবের একটিও গ্রহণ করা না হয় তারপরও আমাদের কোন আপত্তি থাকবে না।'

Add comment

Security code
Refresh


advertisement