আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 28 মিনিট আগে

সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের চলমান আলোচনার অংশ হিসাবে আজ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করেছে।

awami leagu flag

বৈঠকে নির্বাচনের সময় প্রতিরক্ষা বাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করে আওয়ামী লীগ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে।

‘গণতন্ত্র ও নির্বাচন: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ শিরোনামে একটি দশ পৃষ্ঠার একটি প্রস্তাবনা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দেয়া হয়।

ওই প্রস্তাবনায় দলটি বলে, যারা নির্বাচনে প্রতিরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করা এবং সেনা সদস্যদের ম্যাজেস্ট্রিয়াল ক্ষমতা প্রদানের দাবি করছেন তাদের উদ্দেশ্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নয়। তারা প্রতিরক্ষা বাহিনীর ক্ষমতার অপব্যবহার করতে চায়। এ ব্যাপারে দলটি ২০০১ সালের নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী ঘটনার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে।

এছাড়া নির্বাচনে প্রতিরক্ষা বাহিনী মোতায়েনকে দেশের আইন ও সংবিধানিক নিয়মকানুনের প্রতি অসৌজনতা প্রদর্শন বলেও উল্লেখ করা হয়।

আওয়ামী লীগ জানায়, সংবিধান ও আইনের বাইরে গিয়ে কেউ যদি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্র করে, তবে তা জনগণ মেনে নেবে না।

বুধবার বিকাল ৪টায় বঙ্গভবনে পৌঁছে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল। দলটির নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে প্রায় দুই ঘণ্টা পর সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলটি বঙ্গবভন থেকে বেরিয়ে আসেন।

পরে সন্ধ্যা সাতটার দিকে ধানমণ্ডিতে সংবাদ সম্মেলন করে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে বিস্তারিত জানান। বৈঠকে নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতিকে এ বিষয়ে আইন প্রণয়ন এবং ই-ভোটিং বা ইলেক্ট্রনিক ভোটিং সিস্টেম চালুসহ চারটি প্রস্তাব দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

Add comment

Security code
Refresh


advertisement