আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 11 মিনিট আগে

ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মাছ না ধরার সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ। বিগত দুই সপ্তাহ ধরে বঙ্গপসাগরে জাল ফেললেই উঠছে ঝাঁকে ঝাঁকে রূপালী ইলিশ। দক্ষিণাঞ্চলের বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রতে (বিএফডিসি) ইলিশের ছড়াছড়ি।

fisherman with hilsha fish

গত ১০/১৫ দিনে সকাল, সন্ধ্যা কিংবা রাতে গভীর সমুদ্রে মিলছে প্রচুর ইলিশ। ফলে ট্রলার বোঝাই করে মণে মণে ইলিশ নিয়ে ফিরছেন জেলেরা। বাজারে বা পাইকারের কাছে মাছ বিক্রি করে ফের ছুটছেন সমুদ্রে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মা ইলিশ রক্ষা এবং অবৈধ জাল বন্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে এত ইলিশ পাচ্ছেন জেলেরা। ইলিশের আগমনে জেলে পল্লীতে বইছে আনন্দের বন্যা।

জানা গেছে, বিগত কয়েকদিনে এক একটি ট্রলার কমপক্ষে প্রতি খ্যাপে ৫-১৫ হাজার পর্যন্ত ইলিশ পেয়েছে। ইলিশের দাম মণ প্রতি সাইজ ভেদে ১৪ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত। গত ৮ থেকে ১৯ সেপ্টম্বর পর্যন্ত মৎস্য আবতরণ কেন্দ্রে মোট ৮৬৬ টন ইলিশ বিক্রি করেছে। যাতে সরকারের প্রায় ২০ লাখ ৯৬ হাজার রাজস্ব আদায় হয়েছে।

পাথরঘাটার বিএফডিসি ঘাট জেলে, ট্রলারমালিক পাইকার এবং আড়তদারদের আনাগোনায় মুখরিত। দম ফেলার সুযোগ নেই তাদের। দিনরাত চলছে ইলিশের বেঁচাকেনা। দেশের বিভিন্ন শহরে পাঠানো হচ্ছে ট্রাকবোঝাই ইলিশ। জেলেরা জানান, প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তায় এবার জলদস্যুদের আক্রমণের ঘটনা নেই বললেই চলে।

মাঝিরা বলেন, 'সমুদ্রের আবহাওয়া অনেক অনুকূলে। গভীর সমুদ্রে অনেক মাছ মিলছে। বিশখালী ও বালেশ্বর নদীতেও মিলছে বড় বড় ইলিশ।'

বরগুনার মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, বিগত সময়ে মা ইলিশ রক্ষায় এবার বেশ ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। সামনের প্রজনন মৌসুমেও পুলিশের কড়া নজরদারি অব্যাহত রাখতে হবে।

মৎস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামনে আবোরো ইলিশের প্রধান প্রজনন মওসুম আসছে। এজন্য আগামী ১ অক্টবর থেকে ২২ অক্টবর পর্যন্ত ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ মাছ ধরা, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাত নিষিদ্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে সকলেই সচেতন হলে বাংলাদেশে ইলিশের অভাব হবে না।

Add comment

Security code
Refresh


advertisement