আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 15 মিনিট আগে

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার চারটি ইউনিয়নে জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় ১২ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান এখনো পানির নিচে। সেইসাথে জোঁকের উপদ্রব ও কামলার (কৃষি শ্রমিক) পারিশ্রমিকের চাহিদা বেশির কারণে কৃষকরা ধান কেটে ঘরে তুলতে না পেরে হতাশ হয়ে পড়েছেন।

boro sirajgonj

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, চলনবিল ঘেষা এ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে এবার ২১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে কৃষকরা প্রায় ২২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ করেছে।

এর মধ্যে মাগুরা বিনোদ, নওগাঁ, মাধাইনগর ও সগুনা ইউনিয়নের প্রায় ১২ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান এখন পানির নিচে।

কৃষকরা জানান, এসব ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে পুকুর, ব্রিজ কালভার্ট, ও বাড়ি-ঘর নির্মাণ করায় পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে গেছে। এতে জলবদ্ধতায় পানিতে অস্বাভাবিক জোঁকের উপদ্রব বেড়েছে।

এ কারণে কৃষি শ্রমিকরা তাদের পারিশ্রমিকের চাহিদা দ্বিগুন করায় ধান পাকলেও তা ঘরে তুলতে পারছে না কৃষক।

কৃষক হোসেন আহমদ জানান, ধান কাটা ও মাড়াই কাজে দিনমজুরের পারিশ্রমিক ৬০০ থেকে সাড়ে ৬০০ টাকা। তাও আবার পাওয়া যাচ্ছে না। জোঁকের ভয়ে অনেক দিনমজুর জলাবদ্ধতার মধ্যে ধান কাটতে সাহস পাচ্ছে না।

তিনি বলেন, বর্তমানে প্রতি মন ধান ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ ধান কাটার শ্রমিকের পারিশ্রমিক তার চেয়েও বেশি।

এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এসব এলাকার কৃষকদের ধান কাটতে না পারার বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। ইউএনবি।

Add comment

Security code
Refresh