আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 20 মিনিট আগে

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, 'আমরা কোনও দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করতে চাই না। তবে কোনও দল যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে চায় এটা তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।' সোমবার বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে সচিবালয়ের সাংবাদিকদের এসব কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

tofail ahmed new

বিএনপি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, '২০১৩ সালে বিএনপি দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল, কিন্তু পারেনি। ২০১৪ সালের নির্বাচনও বানচাল করতে চেয়েছিল, কিন্তু সেবারও তারা ব্যর্থ হয়েছে। এরপর ২০১৫ সালে তারা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছিল। এখন তারা অনুধাবন করছে যে এগুলো সঠিক পথ নয়। বিএনপি গত নির্বাচনে না গিয়ে যে ভুল করেছে তা তারা বুঝতে পেরেছে। এই ভুল আর করবে না, তারা এবার নির্বাচনে অংশ নিবে।'

তোফায়েল বলেন, 'ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার শুধু রুটিন কাজ করবে। আমরা চাই বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হোক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।'

ড. কামাল হোসেনের জোট বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, 'ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে যে জোট হয়েছে তা অবশ্যই একটি রাজনৈতিক জোট, তবে জাতীয় জোট নয়। তাদের যে দাবি তার একটিও গ্রহণযোগ্য নয়।' আরেক প্রশ্নে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, 'বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধী দলের কারও নামে কোন রাজনৈতিক মামলা হচ্ছে না। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা হচ্ছে।'

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে তোফায়েল বলেন, 'বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দিন দিন বাড়ছে। দু’দেশের মধ্যে এখন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৭.৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের দাম বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এখন দেশে অ্যাকর্ড এবং অ্যালায়েন্স এর আর প্রয়োজন নাই। ৩০ নভেম্বরের পর তারা চলে যাবে।'

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, 'বাংলাদেশে পোশাক কারখানা আধুনিক করা হয়েছে। বাংলাদেশে ৩০০টি পোশাক কারখানায় গ্রিন ফ্যাক্টরি রয়েছে। বাকিগুলো পর্যায়ক্রমে করা হবে।'

Add comment

Security code
Refresh