আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 27 মিনিট আগে

নির্বাচনের আগে বিএনপি ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা যেনো কোনোভাবেই মুক্তি না পায়, এ জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে জেলা দায়রা জজদের নিয়ে একটি গোপন বৈঠক হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

mirza fakhrul bnp leader

মির্জা ফখরুল আজ বুধবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন অভিযোগ তোলেন।

ফখরুল জানান, তিনি বিশ্বস্ত সূত্রে জেনেছেন- জেলা দায়রা জজদের আইন মন্ত্রণালয়ে সভা হয়েছে। সেখানে ‘অত্যন্ত স্বনামধন্য’ সচিব উপস্থিত ছিলেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে- নির্বাচনের আগে বিএনপি নেতাকর্মীদের যেনো জজরা জামিন না দেন।

এই কথাগুলো অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।

নির্বাচন ক্রমেই প্রহসনে পরিণত হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘সরকার নির্বাচনী ব্যবস্থা এবং নির্বাচন কমিশনকে নিয়ন্ত্রণে রেখে ফের ক্ষমতায় আসতে চায়। এজন্য বিরোধী দলের ওপর সবধরনের নিপীড়ন এবং বেঁধে রাখার কৌশল প্রয়োগ করছে।’

মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর থেকে গ্রেপ্তারের পরিমাণ বেড়েছে জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর থেকে গতকাল পর্যন্ত ১ হাজার ৯৭২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।’

নির্বাচনকে খারাপ করতে কমিশন খান-খন্দ খোড়ার চেষ্টা করছে অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছি যেন তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করে, লেবেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি করে। লেবেল প্লেইং ফিল্ড দূরে থাক, এখন চেষ্টা হচ্ছে কিভাবে আরও খারাপ করা যায়। এজন্য খান-খন্দ খোড়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রতি মুহূর্তে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে নির্বাচন কমিশন।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি দল প্রতিদিন সভা সমাবেশ করছে। ইসি সেগুলো কিছুই দেখতে পায় না। আপনারা যদি দায়িত্ব পালন না করতে পারেন তাহলে দেশবাসীকে বলুন, স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না। দায়িত্ব পালন না করতে পারলে পদত্যাগ করা উচিত। অন্যথায় সংবিধান আপনাদের যে দায়িত্ব দিয়েছে সেই দায়িত্ব নিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।’

Add comment

Security code
Refresh