আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 27 মিনিট আগে

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পুরনো মামলায় বিএনপি প্রার্থীদের নতুন করে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। ফলে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা চালানোর আগেই কারান্তরীণ হচ্ছেন দলটির চট্টগ্রামের প্রার্থীরা। যদিও নির্বাচন কমিশনের কাছে বিএনপি আবেদন জানিয়ে আসছিল, তফসিলের পর যেন নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা না হয়।

aslam ghiyas shahadat

জানা গেছে, পৃথক তিন মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনের প্রার্থী আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি) আসনের প্রার্থী ডা. শাহাদাৎ হোসেন ও চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদেরকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এর মধ্যে হেফাজত সংক্রান্ত গুজব সৃষ্টি করে নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় আসলাম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেয় চট্টগ্রামের একটি আদালত। এদিকে চার মাস আগের এক বিস্ফোরক মামলায় কারাগারে থাকা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। অন্যদিকে ডা. শাহাদাত হোসেনকে চারটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এছাড়া জেলে থাকা চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্করকে ২০১৬ সালের এক বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

bnp flag

এ বিষয়ে নগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, ‘পুরনো মামলায় বিএনপির প্রার্থীদের নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। যাতে তারা নির্বাচনে লড়তে না পারেন। এর সঙ্গে গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তার তো আছেই। অন্যদিকে সরকারি দলের প্রার্থীরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমাদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে পুলিশ সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, আমরা একটি অসমতল মাঠে খেলছি। এভাবে চলতে পারে না।’

তবে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবুর রহমান বলছেন, ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতেই মামলা হচ্ছে, আটক করা হচ্ছে। এ নিয়ে রাজনীতির কিছু নেই।’

Add comment

Security code
Refresh