আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 27 মিনিট আগে

শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি গোলাম আশরাফ তালুকদার। তিনি আজ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্ত জানান।

chairman vikarunnesa resa

বাবা-মাসহ শিক্ষকদের আছে অপমানিত হয়ে সোমবার দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রি অধিকারী। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

সংবাদ সম্মেলনে আশরাফ তালুকদার বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দেয়া ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নে আমরা সকল পদক্ষেপ নিয়েছি। ইতোমধ্যে তিনজন শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘বিভিন্ন মহলের শিক্ষার্থীদের উসকানি দিচ্ছে। এজন্যে কিছু শিক্ষার্থী এখনও আন্দোলন ও বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে।’

তিনি পদত্যাগে রাজি উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা প্রতিষ্ঠানের ভালো চাই। তাই বৃহত্তর স্বার্থে যদি আমাকে পদত্যাগ করতে হয় রাজি আছি।’

ভিকারুননিসার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা গতকাল বুধবার যে ছয় দফা দাবির কথা জানিয়েছিল তার একটি ছিল- গভর্নিং বডির সকল সদস্যকে অপসারণ করতে হবে।

অরিত্রির আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে তারা বাবা দিলীপ অধিকারী জানিয়েছেন, গত রোববার বার্ষিক পরীক্ষা চলাকালে সমাজবিজ্ঞান পরীক্ষায় তার মেয়ের কাছ থেকে মোবাইল ফোন পান শিক্ষক। এজন্য পরদিন স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের ডেকে পাঠান এবং কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়, মেয়েকে বহিষ্কারের (টিসি) সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মেয়ের সামনেই তাদের অপমান করা হয়। পরে মানসিক আঘাত সইতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রি।

ঘটনার পর মঙ্গলবার রাত ১০টায় রাজধানীর পল্টন থানায় স্কুলের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আক্তার ও শ্রেণি শিক্ষিকা হাসনা হেনার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলা দায়ের করেন অরিত্রির বাবা।

এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওই তিন শিক্ষককে বরখাস্তেরর নির্দেশ দেয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয় হাসনা হেনাকে।

Add comment

Security code
Refresh