আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 55 মিনিট আগে

আজকের দিনে সামরিক বাহিনীর শক্তি প্রদর্শন একটি সাধারণ ঘটনা। এর ধারাবাহিকতায় উত্তর কোরিয়া, চীনসহ আরও কিছু দেশ কিছুদিন পর পর সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে। এছাড়া জাতীয় দিবসগুলোতে মিছিলে এর প্রদর্শনী তো আছেই। তবে আজকের দিনেও সামরিক বাহিনী নেই এমন কিছু দেশও আছে এবং সেই সংখ্যাটা মোটেও কম নয়। অবাক হচ্ছেন তো? হবারই কথা। জেনে নিন কোন কোন দেশে প্রতিরক্ষার জন্য নেই কোন সামরিক শাসন। 

without military countrys

মধ্য আমেরিকার দেশ কোস্টারিকার সংবিধান অনুযায়ী, এই দেশে কোন সামরিক বাহিনী থাকবে না। দেশটির সংবিধানে ১৯৪৯ সালে এই নীতি জারি রয়েছে। জাতিসংঘের শান্তি বিশ্ববিদ্যালয়টি এই দেশেই অবস্থিত।

ইউরোপের কেন্দ্রে ছোট্ট দেশ 'লিখস্টেনস্টাইন' যার মাথাপিছু আয় কাতারের তুলনায় কম। আর্থিকভাবে স্বচ্ছল এই দেশটিতে সামরিক বাহিনী বাতিল হয়ে যায় ১৮৬৮ সালে। তবে যুদ্ধের জন্য সেনাবাহিনী গঠনের অনুমতি রয়েছে এই দেশটিতে।

'সামোয়া' নামের দ্বীপ রাজ্যটি ১৯৬২ সালে নিউজিল্যান্ড থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার পর থেকেই কোন সামরিক বাহিনী গঠন করেনি, যদিও প্রতিরক্ষার প্রয়োজনের নিউজিল্যান্ড তাদের সাহায্য করতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ইউরোপের 'আন্ডোরা' নামক দেশে নিজস্ব কোন সামরিক বাহিনী নেই। প্রয়োজনে স্পেন ও ফ্রান্স প্রতিরক্ষায় কাজ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছে। দেশটি ১২৭৮ সালে প্রতিষ্ঠা পায় যার আয়তন মাত্র ৪৭৮ বর্গকিলোমিটার।

সংসদীয় রাজতন্ত্র শাসন ব্যবস্থায় কমনওয়েলথভুক্ত দেশ 'তুভালু'। মাত্র ২৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দেশটিতেও কোন সামরিক বাহিনী নেই।

ইতালির রাজধানী রোম এর একাংশ 'ভ্যাটিকান সিটি' বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে পরিচিত। আয়তনে ০.৪ বর্গকিলোমিটারের এই দেশটি জনসংখ্যায়ও বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ। এই দেশটিতেও কোন সেনাবাহিনী বা সামরিক বাহিনী নেই।

আটলান্টিক মহাসাগরের ক্যারিবিয়ানে অবস্থিত একটি মাত্র দ্বীপ 'গ্রেনাডা'। যার আয়তন ৩৪৪ বর্গকিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা মাত্র এক লাখ পাঁচ হাজার। কমনওয়েলথভুক্ত এই দেশটিতেও কোন সামরিক বাহিনী নেই।

মাইক্রোনেশিয়ান অংশভুক্ত প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপ রাজ্য 'নাউরু'। এর আয়তন ২১ বর্গকিলোমিটার ও জনসংখ্যা দশ হাজারের কিছু বেশি। এই দেশটিতেও সেনাবাহিনী বা সামরিক বাহিনীর অস্তিত্ব নেই।

Add comment

Security code
Refresh