আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 27 মিনিট আগে

একবার ভাবুন তো- আপনি সমুদ্র সৈকতে হাঁটছেন। এমন সময় পুরনো একটি বোতলে আপনার পা ধাক্কা লাগল। কি করবেন আপনি? হয়তো বিরক্ত হবেন অথবা ফিরে তাকালেও অন্তত হাতে তুলে দেখার আগ্রহ বা রুচি আপনার হবে না। তাই না? কিন্তু সেটি অন্য কেউ তুলে যদি আবিস্কার করে, এটি বিশ্বের সব থেকে পুরনো বার্তাবাহী বোতল। তখন আপনার কেমন লাগবে? তখন যে কারো মনে পড়তে পারে আবহমান বাংলার এই প্রবাদটি, ‘যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখো তাই, পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রতন!’

132 year old bottle

গল্পে নয়, সত্যি এমন একটি বোতলের দেখা মিলেছে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের এক সমুদ্র সৈকতে। বোতলটি সমুদ্র সৈকতে কুড়িয়ে পান পার্থ শহরের একটি পরিবার।

এটি প্রথম দেখতে পান টনিয়া ইলম্যান নামের এক নারী। কিন্তু তিনি যে ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছেন, তা কল্পনাও করতে পারেননি। টনিয়া প্রথমে এটি বুক শেল্ফে সাজিয়ে রাখার কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু পরে তা একটি জাদুঘরে নিয়ে গেলে বোতলটির ভেতরে থাকা বার্তার ঐতিহাসিক সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।

টনিয়া ইলম্যানের স্বামী কিম ইলম্যান আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বোতলটি পাওয়ার পর ভেতরে কিছু কাগজ দেখতে পান। তারা বোতলটি বাড়িতে নিয়ে যান এবং পরিস্কার করেন। তখনও তারা ধারণা করতে পারছিলেন না যে, এর ভেতরে কী রয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছে, জার্মান ভাষায় লেখা ওই বার্তায় ১৮৮৬ সালের কথা উল্লেখ ছিল। জাহাজের রুট সম্পর্কে ধারণা পেতে ভারত মহাসাগরের কোথাও বোতলটি ফেলা হয়েছিল। জার্মান ন্যাভাল অবজারভেটরি থেকে ফেলা বোতলের ভেতরের বার্তায় সামুদ্রিক স্রোতের গতিপথ পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে। এর আগে ১০৮ বছরের পুরনো এমন বোতল-বার্তা পাওয়া গিয়েছিল।

Add comment

Security code
Refresh