আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 00 মিনিট আগে

প্রযুক্তির কল্যাণে দুনিয়া যে অনেকটা সহজ হয়ে এসেছে এ কথা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছে আমাদের অন্যতম নির্ভরতা। ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম বা টুইটারে অ্যাকাউন্ট থাকা যেন চাই-ই চাই। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক না হলে বিপদে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

facebook and instagram

সোশ্যাল মিডিয়া মানেই যেন ছবির ছড়াছড়ি। ঘরে কিংবা বাইরের, নিজের কিংবা সন্তানের কোন ছবিই যেন বাদ পড়ে না। কিন্তু এই ছবিই যে আপনার জীবনকে করে দিতে পারে বিভীষিকাময়, তা কি জানা আছে আপনার? আপনার নিজের কিংবা আদরের ছোট্ট শিশুর একান্ত মুহূর্তের কিছু ছবি বয়ে আনতে পারে জীবনের চরম কোন দুর্ঘটনা।

শিশুদের নগ্ন হয়ে গোসল করানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে থাকেন অনেকেই। কিন্তু এই ছবি হ্যাকাররা নানা ধরণের সাইটে তা ছড়িয়ে দিতে পারে। আবার কেউ কেউ শিশুকে স্তন্য পান করানোর ছবিও পোস্ট দিয়ে থাকেন। অথচ এই ধরনের ছবি হ্যাক করে পর্ণ সাইটে ভিডিও হিসেবে আপলোড করতে পারে হ্যাকাররা। তাই সন্তানকে স্তন পান করানোর মত ছবি সামাজিক যেগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিলে যে কোনো সময় বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই শিশুদের খুব ছোট বয়সের নগ্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা বা এমন কোন ছবি দেবেন না যেখানে সে কিছুটা অসংলগ্ন। সদ্য রজ:প্রাপ্ত কিশোরীদের ভবিষ্যৎ মা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য একটি বিশেষ উৎসব হয় ভারতে। আজকাল আমাদের দেশেও এসব অনুষ্ঠান করতে দেখা যায়, সেখানে নানা ধরণের ছবি তোলা হয় শাড়ি ও গহনা পড়িয়ে। এসব অনুষ্ঠানের এমন কোন ছবি পোস্ট করা উচিত নয়।

নিজের শিশুটি একা একা কাপড় বদলানো শিখে নিলে অনেক অভিভাবক খুশিতে সেই ছবিও দেন, এই কাজটিও ভুলে করতে যাবেন না। এমন ছবির জন্য মুখিয়ে থাকে হ্যাকাররা। শিশুদের এমন কোন ছবি দেবেন না যাতে তাদের অন্তর্বাস দেখা যায়। শুধু টাওয়েল জড়ানো কোন ছবি দেবেন না ছেলে মেয়ে কারোরই। তবে কোন কোন অভিভাবক বেশি সচেতনতায় শুধু বড়দের সঙ্গে ছবি তুলতে শিশুদের বাধ্য করেন। এটাও ঠিক নয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শিশুদের ছবি দেবেন কিন্তু এমন কোন ছবি না যাতে সে ভবিষ্যৎ এ বিপদে পড়তে পারে বা আপনিও ঝামেলায় পড়তে পারেন।

Add comment

Security code
Refresh