আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 27 মিনিট আগে

দৈনন্দিন জীবনে পরিচ্ছন্ন থাকা অনেক বেশি জরুরী। অপরিচ্ছন্ন লোকের ব্যক্তিত্ত্ব ক্ষুণ্ণ হয় সব জায়গায়, সবার সামনে। পরিচ্ছন্ন থাকার পাশাপাশি অঙ্গভঙ্গি এবং আচার-আচরণও নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। কারণ কিছু কিছু অঙ্গভঙ্গি মানুষের ব্যক্তিত্ত্বকে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় এবং ব্যক্তিত্ত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে নিচের করণীয়গুলো পড়ে দেখতে পারেন। তবে পড়ার পর ভুলে গেলে চলবে না। নিজের অভ্যাসের সাথে মিলিয়ে নিন।

শরীরে ঘামের গন্ধ তৈরি হতে দেয়া যাবে না। প্রয়োজনে প্রতিদিন পোশাক পাল্টান। একাধিক মোজা ব্যবহার করুন। সেই সাথে নিজের ব্যবহার্য পোশাকাদি নিয়ম করে ধোপার বাড়ি পাঠান।

বাইরে থেকে ফিরে পোশাক পাল্টে যতো দ্রুত সম্ভব ক্যাজুয়াল পোশাক পরে ফেলুন। বাইরের কাপড়ে খুব বেশিক্ষণ ঘরে হাঁটাহাঁটির কোনো মানে নেই।

বাসার বাইরে থেকে ফিরে অবশ্যই হাত-মুখ ধোয়ার অভ্যাস করুন। নিয়মিত গোসল করুন। খুব শীতেও গোসল কামাই দেয়া যাবে না।

যে কোনো রকম শারীরিক দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পেতে পারফিউম, বডি স্প্রে ব্যবহার করতে শিখুন। ঘাম থেকে দুর্গন্ধ হওয়ার বাতিক থাকলে ভালো ব্র্যান্ডের ডিওডোরেন্ট অবশ্যই ব্যবহার করুন।

হাত-পায়ের নখ খুব সম্ভব ছোট রাখুন। যথা সময়ে নখ কেটে ফেলার অভ্যাস করুন। যদি স্টাইলের কারণে নখ বড় রাখতেই হয়, তাহলে নখের ভেতরে কোনোভাবেই ময়লা জমতে দেয়া যাবে না। নখের ভেতরের ময়লা আপনার ব্যক্তিত্ত্বকে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

নিজের ব্রাশ, তোয়ালে এবং অন্যান্য ব্যবহার্য জিনিসপত্র নিজেই পরিষ্কার রাখার অভ্যাস করুন। আপনার তোয়ালে হবে একটাই। অফিসের কমন বাথরুমে ঝোলানো কমন তোয়ালে ব্যবহার না করে ব্যক্তিগত টিস্যু ব্যবহার করুন।

পাবলিক প্লেসে কিংবা অফিসে সবার সামনে চুল আঁচড়াবার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

অফিসের সবার সাথে খোলামেলাভাবে কথা বলুন। স্পষ্টভাবে বলুন। অফিসের নিয়ম কানুন মেনে চলার জোর চেষ্টা করুন। এতে সবার সামনে আপনার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে।

 

Add comment

Security code
Refresh