আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 49 মিনিট আগে

শীতকালের পিঠাপুলি মানেই নারিকেলের ছড়াছড়ি। তবে শুধু স্বাদেই নয় নারিকেলে রয়েছে অনন্য পুষ্টিগুণ যা খালি চোখে আমরা খুব একটা দেখতে পাই না। নারিকেলে রয়েছে ভিটামিন, ফ্যাটি এসিড, ফাইবার, ম্যাঙ্গানিজ এই উপাদানগুলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, চর্বি দূর করার মত নানা উপকার করে থাকে। 

coconut benefits

কপার ও পটাশিয়ামের ভাল উৎস নারকেলের শাঁস। এতে প্রচুর পরিমাণ আয়রন ও ম্যাঙ্গানিজও রয়েছে। নারিকেল রক্তের শর্করার মাত্রা ঠিক রাখে ও স্নায়ুতন্ত্র রক্ষা করে। নারিকেলে থাকা শাঁসেও আছে প্রচুর ফাইবার যা খাবার হজমে সাহায্য করে। আর পানিতে রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম ও ভিটামিন।

শাঁসে থাকা ভিটামিনের মধ্যে আছে ভিটামিন বি১, ভিটামিন বি২, ভিটামিন বি৩, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি৬ ও ভিটামিন বি৯। এছাড়াও আছে জিংক, ফসফরাস, প্রোটিন ও ক্যালরি। ভাল কোলেস্টেরল বাড়াতেও নারিকেলের শাঁসের জুড়ি নেই।

ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখে নারিকেল। তাই উপাদেয় এই খাদ্যটি ডায়াবেটিস রোগীর জন্য কার্যকরী। 

পেটের মেদ কমিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে পুষ্টির যোগান দিয়ে শরীরে শক্তি যোগায় এই পুরো ফলটি। নিয়মিত নারিকেল খেলে হার্টের সব ধরণের রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব।

গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের জন্য দারুণ উপকারি। ক্যান্সার প্রতিরোধ ও রক্ত চলাচলেও সাহায্য করে থাকে নারিকেলের পানি ও শাঁস।

হাড়, দাঁত মজবুত ও হজম ক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতেও সক্ষম নারিকেল। স্কাল্প ইনফেকশন দূর করতেও খাওয়া যেতে পারে নারিকেল। 

Add comment

Security code
Refresh