আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 41 মিনিট আগে

কাঁচা গাজর কামড়ে খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছে। শীতকালের এই সবজিটি আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয়। তবে শুধু কাঁচাই না, সালাদের সাথে কিংবা তরকারিতে দিয়েও গাজর খাওয়ার প্রচলন রয়েছে।

গাজরে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন আছে। তাই প্রতিদিনের খাবার তালিকায় গাজর রাখা অত্যাবশ্যক। যদি কাঁচা গাজর কামড়ে খেতে খারাপ লাগে তাহলে গাজরের জুসও খেতে পারেন। দুটোই সমান কাজ করবে।

গাজরের জুস বানানোও খুব সহজ। ছোট গোল গোল করে গাজর কেটে নিয়ে ব্লেন্ডারে দিয়ে দিন। তারপর পরিমান মতো লবন, চিনি বা মরিচ দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। ব্যস, হয়ে গেলো গাজরের জুস।

গাজরে আছে খুবই অল্প মাত্রার ক্যালোরি। ফলে এটি ওজন কমাতে দারুণ কার্যকর। গাজর লিভারের জন্য খুবই উপকারী। আর প্রচুর আঁশ আছে বলে গাজর হজমেও দারুণ সহায়তা করে।

গাজরের রসে আছে ভিটামিন-ই। যা ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। গাজরে থাকা ভিটামিন-এ দৃষ্টিশক্তির উপকার করে। এছাড়া হাড় ক্ষয় রোধেও গাজর অপ্রতিদ্বন্ধী।

যাদের বয়স বেশি হওয়ার কারণে শরীরে ব্যথা আছে, তারা চোখ বুজে গাজর খেতে পারেন। শরীরের জ্বালাপোড়া কমাতেও গাজর ভূমিকা রাখে।

গাজরের রস চর্বি কাটে বলে মেদ কমাতে বেশি বেশি গাজর খেতে পারেন।

বুড়ো হতে না চাইলে আজ থেকেই গাজর খাওয়া শুরু করে দিন। এতে আছে এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মানব শরীরের কোষের ক্ষয় রোধ করে বলে বয়স খুব ধীরে ধীরে বাড়ে। ত্বকের মসৃণতা ধরে রাখতেও গাজরের জুড়ি নেই।

তাই গাজর খাওয়া শুরু করুন আজ থেকেই।

 

আরও পড়ুন

বেগুনের অনেক গুন

কমলার জাদুকরী গুন

বাসে আগুন লাগলে যা করবেন

Add comment

Security code
Refresh