আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 15 মিনিট আগে

ঈদুল আজহায় শহুরে নাগরিকদের সবচেয়ে বেশি চিন্তার বিষয় কোরবানি পরবর্তী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেননা, সঠিকভাবে তা করা না হলে দুর্গন্ধময় পরিবেশে থাকা প্রায় অসম্ভব। তবে সঠিকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিটি কর্পোরেশন গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানাচ্ছে, কোরবানির পর যত দ্রুত সম্ভব বর্জ্য পরিস্কারের উপর জোর দিচ্ছেন তারা। তবে নাগরিকদের যেখানে সেখানে বর্জ্য না ফেলার অনুরোধও করেছেন তারা। তাই সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনার যা করা উচিৎ তা হল, পশুর খড় ও গোবর যেখানে সেখানে ফেলা থেকে বিরত থাকা জরুরি।

kurbani tips

অনেকে ঈদের কয়েকদিন আগে থেকেই কোরবানির পশু বাসায় নিয়ে আসেন। যারা এমনটা করেন তাদের পশু রাখার স্থান নিয়মিত ব্লিচিং পাউডার দিয়ে পরিস্কার করা উচিত, এতে রোগজীবাণু ছড়ানোর সম্ভাবনা কমে আসে। পশু জবাইয়ের পর অনেকেই এর রক্ত, ময়লা পাশের নর্দমায় ফেলে আসেন যা একদমই উচিত নয়। সবচেয়ে ভাল হয় যদি সিটি কর্পোরেশনের দেয়া নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করা যায়। আর যদি বাসার সামনেই করতে হয় তাহলে পশু কোরবানির পর সকল প্রকার বর্জ্য বস্তায় ভরে শক্ত করে বেঁধে তা ডাস্টবিনে রাখা যেতে পারে। এতে করে কর্পোরেশনের কর্মীরা সহজেই তা নিয়ে যেতে পারবে।

কুকুর বা বিড়াল যেন বর্জ্য নিয়ে আশেপাশে ফেলতে না পারে সেদিকেও সবার মনযোগ দেয়া উচিৎ। যেখানে সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা যেতে পারে না সেখানকার শহরের বাসিন্দারা রাস্তা থেকে দূরে কোথাও বড় গর্তে বর্জ্য পুতে রাখতে পারেন অথবা বিশেষ প্রয়োজনে সিটি কর্পোরেশনের সাহায্য নিতে পারেন।

গ্রামের বাড়িতে এই অসুবিধা না থাকলেও শহর বাড়িতে কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খুবই কঠিন কাজ বলেই মনে করেন অনেকে। কিন্তু একটু সচেতনতা আর সঠিক পরিকল্পনাই আপনাকে এই সমস্যার সমাধান দিতে পারে। সর্বোপরি আপনার চারপাশ যেন দুর্গন্ধ ও জীবানু মুক্ত থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। কেননা কোরবানির এই ত্যাগে যেন জীবন দুর্বিষহ হয়ে না উঠে সেদিকে তো মনযোগ দিতেই হবে।

Add comment

Security code
Refresh


advertisement