আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 11 মিনিট আগে

দীর্ঘদিন থেকেই মহাকাশ বিজ্ঞানীরা ধারণা করছিলেন পৃথিবীর বাইরেও প্রাণের অস্তিত্ব আছে। এবার বোধ হয় সেই ধারণাটিই সত্য প্রমাণ করতে যাচ্ছে নাসার কেপলার মিশন। সৌরমণ্ডলের বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজতে গিয়ে কয়েকটি গ্রহই আবিস্কার করে ফেলেছেন মহাকাশবিজ্ঞানীরা। নাসা বলছে, আমাদের সৌরমণ্ডলের বাইরে আরো কমপক্ষে ২০টি গ্রহ রয়েছে পৃথিবীর মতো।

Nasa keplar

মহাকাশে পাঠানো নাসার কেপলার’ মহাকাশযান দীর্ঘদিন পর্যবেক্ষণ করে ২০টি নতুন গ্রহ পেয়েছে। নাসার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতির মতোই সৌরমণ্ডলের গ্রহগুলির বাইরে আরও অনেক গ্রহ পাওয়া গেছে অন্যান্য সৌরমণ্ডলে। বলা হচ্ছে, নতুন করে সন্ধান পাওয়া গ্রহগুলি পৃথিবীর মতোই পাথুরে গ্রহ বা রকি প্ল্যানেট।

নাসা বলছে, নতুন আবিষ্কৃত গ্রহগুলির আবহাওয়াও পৃথিবীর মতো। এরা সবাই নিজেদের মতো কোন না কোন নক্ষত্রের পৃথিবীর মতো প্রদক্ষিণ করছে। নাসার বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মিল পাওয়া ভিন গ্রহটির তার নাম 'কেওআই-৭৯২৩.০১'। যার ব্যস পৃথিবীর ব্যাসের চেয়ে ৯৭ শতাংশ বেশি। গ্রহটিতে বছর হয় ৩৯৫ দিনে। তবে সেখানে অনেক বেশি ঠাণ্ডা।

মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বলছে, পৃথিবী সদৃশ গ্রহটি যে নক্ষত্রের চারপাশে ঘুরছে তার তাপমাত্রা সূর্যের চেয়ে কিছুটা কম। তবে অনেক কম নয়। ফলে স্বভাবতই গ্রহটির তাপমাত্রা পৃথিবীর চাইতে তুলনামূলক কম। ওই গ্রহটিতে পানির স্তর রয়েছে, ফলে পাওয়া যেতে পারে প্রাণের অস্তিত্ব।

নক্ষত্র থেকে কোন গ্রহের দূরত্বকে বলে 'গোল্ডিলকস জোন'। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, 'কেপলার মিশনে সন্ধান পাওয়া গেছে মোটি ২১৯টি গ্রহের। আর সেই ভিনগ্রহগুলোর মধ্যে অন্তত ২০টি আমাদের পৃথিবীর মতোই পাথুরে। এই ২০টি গ্রহ রয়েছে গোল্ডিলকস জোনে।

তবে এই আবিস্কার নিয়ে আপাততো আশাবাদী হওয়ার কিছু নেই। বিগত কয়েক বছরে মোট ৪ হাজার ৩৪টি গ্রহের সন্ধান পেয়েছে কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ। যার মধ্যে নাসা ২ হাজার ৩৩৫টি গ্রহ সম্পর্কে জানাতে পেরেছে। কেপলার মিশনের অন্যতম প্রধান গবেষক জেফ কাফলিন অবশ্য কৌতুক করতে ছাড়েননি। তিনি বলেন, 'আগ্রহীরা চাইলে অবশ্য আমাদের মহাকাশযানে করে পাড়ি দিতে পারেন এসব গ্রহে।'

Add comment

Security code
Refresh


advertisement