আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 02 মিনিট আগে

টেস্ট সিরিজ শুরুর আগের সংবাদ সম্মেলনে মুশফিকুর রহিমের কাছে বহু প্রশ্নই ছুটে গেলো। এর মধ্যে একটা প্রশ্ন ছাড়া, অন্য কোনোটার কথা হয়তো তিনি আগে জানতেন না। যে একটার কথা মুশফিকের আগেই জানা ছিলো, সেটা হলো তার ফিটনেস সম্পর্কিত প্রশ্ন।

mushfiq is not fit but aims to play

ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক। দুই সপ্তাহের জন্য ছিটকে যান মাঠের বাইরে। টেস্ট সিরিজে তিনি খেলতে পারবেন কিনা, সংশয় তৈরি হয় তখনই। সেই সংশয়ের কারণেই ফিটনেস সম্পর্কিত প্রশ্ন ধেয়ে গেলো অধিনায়কের দিকে।

মুশফিক এমনিতে বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে পরিশ্রমী ক্রিকেটারদের একজন। অনুশীলনে সবার আগে আসা এবং সবার পরে ফেরার বাসে উঠা ব্যক্তি তিনি। হ্যামস্ট্রিং থেকে সেরে উঠার জন্যও করেছেন এমন পরিশ্রম। ফলে একটু দ্রুতই সেরে উঠেছেন তিনি। পুরোপুরি কি সেরে উঠেছেন? মুশফিকের কাছে গেলো ঠিক এমন প্রশ্ন।

উত্তরে বাংলাদেশ অধিনায়ক বললেন, ‘আল্লাহর রহমতে এখন ভালো আছি। তবে পুরো সুস্থ আছি, এমন বলা যাবে না। কিন্তু আমি খেলার মতো ফিট।’

ব্যাট হাতে মুশফিক সব সময়ই আত্মবিশ্বাসের প্রতিকৃতি। সংবাদ সম্মেলনের মাইক্রোফনের সামনেও দেখা গেলো তার আত্মবিশ্বাসের ঝলক। মুশফিক যদি এই রকম আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে না পারতেন। তাহলে বড় সমস্যায়ই পড়তে হতো বাংলাদেশকে।

সিরিজরে দুই ওয়ানডে এবং তিন টি-টোয়েন্টিতে কিপিংয়ের দায়িত্বটা দারুণভাবে সামলেছেন নুরুল হাসান সোহান। টেস্টেও হয়তো এই দায়িত্বে উতড়ে যেতেন তিনি। কিন্তু মুশফিক না থাকার কারণে মিডল অর্ডারে যে ভঙ্গুর দশার সৃষ্টি হতো, সেটা পূরণ হতো কিভাবে? কিংবা অধিনায়কের গুরুদায়িত্বই বা সামলাতেন কে?

মুশফিকের আত্মবিশ্বাসী ফেরা তাই বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্টকে দিচ্ছে নানামাত্রিক স্বস্তি। বাকি কাজটাও মুশফিকের। ওয়েলিংটনে নিজের দায়িত্বগুলো ঠিকঠাক পালন করতে হবে তাকে। না হলে পুরো ফিট না হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে যে সাহসের পরিচয় দিলেন, তা ঢেকে যেতে পারে সমালোচনার তীর্যক কথার বানে।

advertisement

Add comment

Security code
Refresh