আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 11 মিনিট আগে

বাংলাদেশ টেস্ট খেলছে ১৮ বছর ধরে, আর আফগানিস্তান টেস্ট স্ট্যাটাস পেলো সদ্যই। অথচ নতুন ক্রিকেটার তৈরিতে দুই দেশের অবস্থানে এর মধ্যেই দেখা যাচ্ছে বড় পার্থক্য। যার একটা নমুনা দেখা যাচ্ছে আইপিএলের নিলামে নাম উঠাতে ইচ্ছুক ক্রিকেটারদের তালিকায়। যেখানে বাংলাদেশের ক্রিকেটার আছেন মাত্র আট জন। আর আফগানিস্তানের ১৩ জন!

afghanistan beat bangladesh for second time in odi

গত আইপিএলে বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান মিলে খেলেছেন মাত্র দুটি ম্যাচ। সেখানে আফগানিস্তানের রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবি প্রায় প্রত্যেকটা ম্যাচই খেলেছেন। গত আইপিএলে যে বাংলাদেশের দুজন ক্রিকেটার আছেন, সেটা হয়তো ভুলেই গিয়েছিলেন অনেকে। যে কোনো বিচারে গত আইপিএলে আফগানিস্তানের অবস্থান ছিলো সুদৃঢ়।

বাংলাদেশের জন্য আরো বিব্রত হওয়ার মতো ব্যাপার হলো, এবারের আইপিএল নিলামে বর্তমানে টেস্টখেলুড়ে দেশের মধ্যে কেবল জিম্বাবুয়ের চেয়ে বেশি ক্রিকেটারের তালিকা দিয়েছে বাংলাদেশ। তাও সংখ্যাটা এক অংকের। জিম্বাবুয়ে তালিকা দিয়েছে সাতজনের নাম। আর বাংলাদেশ আটজনের।

ভারত ছাড়া টেস্টখেলুড়ে অন্য সাত দলের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া নিলামের জন্য দিয়েছে ৫৮ জনের নাম, ইংল্যান্ড ২৬ জনের, নিউজিল্যান্ড দিয়েছে ৩০ জনের নাম। দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দিয়েছে যথাক্রমে ৫৭, ৩৯ ও ৩৯ জনের নাম। বাকি থাকছে কেবল পাকিস্তান। ২০০৮ সালের পর থেকে তারা তো আইপিএল খেলছেই না।

তালিকার দিকে চোখ বুলালেই বোঝা যাবে যে, ১৮ বছর বয়সী টেস্টখেলুড়ে দেশ হওয়ার পরও যতো বেশি ক্রিকেটার বাংলাদেশ থেকে উঠে আসার কথা ছিলো, তা আসেনি। সে তুলনায় দারুণভাবে এগিয়ে গেছে আফগানিস্তান। প্রতি বছরই তারা নতুন নতুন ক্রিকেট প্রতিভা তুলে আনছে।

আফগানিস্তানের এগিয়ে আসার বেশ কিছু প্রমাণ গত কয়েক বছরে দেখেছে বিশ্ব। তার একটা নিশ্চিতভাবেই রশিদ খান। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা লেগ স্পিনার মনে করা হচ্ছে তাকে। উঠে আসছেন মুজিব জাদরানও। এ ছাড়া বয়সভিত্তিক পর্যায়ে আফগানিস্তানই এখন এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন। ওই অর্জনটা যে ফ্লুক নয়, তার একটা প্রমাণ তারা দিয়েছে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়েও।

Add comment

Security code
Refresh


advertisement