আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 03 মিনিট আগে

ব্যাটসম্যান তিন অঙ্কের কোঠা পেরিয়েই ব্যাট উচিয়ে ধরলেন এবং অভিবাদনে সিক্ত হলেন। ২০০৬ সালের ৬ ডিসেম্বর যাত্রা শুরুর পর এমন অনেক ঘটনার সাক্ষী হয়েছে মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম। এবার নিজেই সেঞ্চুরি হয়ে গেল শেরে বাংলার। ইতিহাসের মাত্র ষষ্ঠ স্টেডিয়াম হিসেবে ওয়ানডে ম্যাচ আয়োজনের সেঞ্চুরি করল মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

shere bangla national stadium

আজ ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ে বনাম শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচটি মিরপুর স্টেডিয়ামে একশ নম্বর ওয়ানডে। একটা বিশ্বরেকর্ডও হয়ে গেল শেরে বাংলার। মাত্র এগারো বছরের ব্যবধানে ওয়ানডে ম্যাচ আয়োজনের সেঞ্চুরি করল শেরে বাংলা। অতীতে এতো কম সময়ে একশ ম্যাচ আয়োজন হয়নি কোনো স্টেডিয়ামেই।

এর আগে ওয়ানডে আয়োজনের সেঞ্চুরি করা পাঁচ স্টেডিয়াম হলো সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়াম (২৩১ ওয়ানডে), অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ক্রিকেট স্টেডিয়াম (১৫৪ ওয়ানডে), আস্ট্রেলিয়ার আরেক মাঠ মেলবোর্ন ক্রিকেট স্টেডিয়াম (১৪৮ ওয়ানডে), জিম্বাবুয়ের হারারে স্পোর্টস ক্লাব (১৩৬ ওয়ানডে), শ্রীলঙ্কার প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম (১২৪ ওয়ানডে)।

২০০৬ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল মিরপুর স্টেডিয়ামের। আজ যখন একশ নম্বর ওয়ানডে হচ্ছে মিরপুরে মাঠে সেই জিম্বাবুয়ান ক্রিকেটাররাই! বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও থাকতে পারতেন। ত্রিদেশীয় সিরিজের আয়োজক বাংলাদেশ। ফলে সিডিউল মিলিয়ে ইচ্ছা করলে শততম ম্যাচটা তারাও খেলতে পারতেন। কিন্তু অতোটা চিন্তাই হয়তো করেনি বিসিবি!

জিম্বাবুয়ে-শ্রীলঙ্কার ম্যাচের সময় সেঞ্চুরি দেখতে শেরে বাংলায় হাজির হয়েছিলেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। আর বিসিবির পক্ষ থেকে ছোটখাটো একটা উদযাপন, এই শেষ।

স্বাভাবিকভাবেই মিরপুরে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। একশ ম্যাচের মধ্যে ৮৪ ম্যাচই মাঠে ছিল বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের পর শেরে বাংলায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২ ম্যাচ খেলেছে ভারত। জিম্বাবুয়ে খেলেছে ২১ ম্যাচ।

Add comment

Security code
Refresh