আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 00 মিনিট আগে

এশিয়া কাপের শুরুটা দুর্দান্ত হয়েছিল বাংলাদেশের যখন তারা শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল ১৩৭ রানে। কিন্তু পরের দুই ম্যাচে আফগানিস্তান ও ভারতের কাছে বাংলাদেশকে হজম করতে হলো বড় পরাজয়। বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাসে যা বড় আঘাত। এই পরিস্থিতিতে পরের দুই ম্যাচে কেমন পারফরম্যান্স করবেন মাশরাফিরা, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

bangladesh all out scoring 173

সুপার ফোরে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। যারা পাকিস্তানকে কাঁপিয়ে দিয়ে শেষ ওভারে গিয়ে হেরেছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে পরের ম্যাচ এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে জিততে না পারলে বাংলাদেশের জন্য ফাইনালের পথ বন্ধ হয়ে যাবে।

ভারতের বিপক্ষে সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ১৭৩ করে। এই রান টপকে যেতে ভারতের তেমন কোনো কষ্টই করতে হয়নি। সাত উইকেট হাতে রেখে বিশাল জয় পেয়েছে রোহিত শর্মার দল। ভারতের জন্য এই জয় যতটা অনুপ্রেরণাদায়ী বাংলাদেশের জন্য ততটাই হতাশার।

imrul and soumya going to join asia cup

ভারতের বিপক্ষে হারের পর বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ব্যাটিং নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। এছাড়া অবশ্য কিছু করারও ছিলো না অধিনায়কের। কারণ প্রতিটি ম্যাচেই ব্যাটসম্যানরা বাংলাদেশকে বিপদে ফেলে দিয়েছেন। সামান্য ব্যতিক্রম ছিল প্রথম ম্যাচে, যখন মুশফিকুর রহিম তার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলে শ্রীলংকার বিপক্ষে বাংলাদেশকে একটি বড় পুঁজি এনে দেন। কিন্তু তারপর আর কোন পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি।

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা যদি সামনের ম্যাচগুলোতেও অব্যাহত থাকে, তাহলে বাংলাদেশের ফাইনাল খেলার স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে। হয়তো এই আশঙ্কা থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও সরকারকে এশিয়া কাপের স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

কিন্তু অদ্ভুত বিষয় হলো, এ দুজনকে জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করার আগে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার সাথে কোন আলোচনা করেনি বিসিবি। ভারতের পরের সংবাদ সম্মেলনে এ কথা প্রকাশ্যেই বলেছেন মাশরাফি। জানিয়ে সংবাদ মাধ্যমে তুমুল লেখালেখি হচ্ছে।

ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকারকে অন্তর্ভুক্ত করার পরে যে সমালোচনা হচ্ছে তা মিলিয়ে যেতে পারে, যদি এ দুজন আফগানিস্তানের বিপক্ষে এবং পরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভালো কিছু করতে পারেন। বাংলাদেশের সমর্থক রা আপাতত এ রকম কিছুর প্রত্যাশায়ই আছেন।

Add comment

Security code
Refresh