আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 51 মিনিট আগে

সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছিল না চেলসির। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শেষ দুই ম্যাচেই হারতে হয়েছে ৭ গোল হজম করে। অবশেষে ওয়েস্ট ব্রমউইচের বিপক্ষেই গা ঝাড়া দিয়ে উঠেছে পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটি। মঙ্গলবার চেনা দুর্গ স্ট্যামফোর্ড অ্যান্তনিও কন্তের দল জিতেছে হেসে-খেলে, ৩-০ গোলে। ঘরের মাঠে নতুন বছরে লিগে এটা চেলসির প্রথম জয়।

chelsea beats west brom by 3 0 goals

দারুণ এই জয়ের জন্য চেলসি কোচ ধন্যবাদ দিতে পারেন ছাত্র ইডেন হ্যাজার্ডকে। ম্যাচের তিন গোলের দুটিই যে করেছেন বেলজিয়ান মিডফিল্ডার! হ্যাজার্ডের জোড়া গোলের ফাঁকে চেলসিকে উল্লাসের অন্য উপলক্ষ্যটা এনে দিয়েছেন ভিক্টর মোসেস।

দাপুটে জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলের চার নম্বরে উঠে এসেছে পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটি। লিগের ২৭তম রাউন্ড শেষে চেলসির ঝুলিতে আছে ৫৩ পয়েন্ট। নগর প্রতিদ্বন্দ্বীদের জায়গা দিতে গিয়ে লিগ তালিকার পাঁচে নেমে গেছে টটেনহাম হটস্পার (৫২)। ৭২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতে শীর্ষে আছে ম্যানচেস্টার সিটি।

পরাজয় খেলারই একটা বড় অংশ। কিন্তু কোনো দল যখন বিধ্বস্ত হয়ে মাঠ ছাড়ে সেই হতাশার গভীরতা অনেক। টেবিলের ১০ ও ১১ নাম্বার দল বোর্নমুথ ও ওয়াটফোর্ডের কাছে তিন গোলের ব্যবধানে হেরে রীতিমতো ধুঁকছিল চেলসি। টানা দু্ই ম্যাচে বিধ্বস্ত হওয়ার ধঁকলটা সামলে নিল কন্তের দল সহজ জয় তুলে নিয়ে।

ম্যাচের দুই অর্ধে দুই গোল করে ব্লুজদের জয়ের নায়কবনে যান হ্যাজার্ড। কিন্তু হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেয়েও ৯০ মিনিটে সেটা হাতছাড়া করেছেন বেলজিয়ান সেনসেশন। ৬৩ মিনিটে হওয়া চেলসির দ্বিতীয় গোলটার মালিক অবশ্য ময়েস।

এ যুগলের সঙ্গে অলিভার জিরার্ডের রসায়নটা দারুণই হয়েছে ম্যাচে। হ্যাজার্ডের প্রথম গোলের জোগানদাতা তো ফ্রেঞ্চ মিডফিল্ডারই ছিলেন। আর্সেনাল ছেড়ে চেলসিতে এসে দ্বিতীয় ম্যাচেই এসে প্রথম জয় পেলেন জিরার্ড।

Add comment

Security code
Refresh