আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 27 মিনিট আগে

একজন মানসম্মত নাম্বার নাইনের জন্য ব্রাজিল দলে হাহাকার বহু বছর ধরে। রোনালদো যুগের অবসানের পর থেকে ফলস নাইন হিসেবে বড় মাপের কাউকে পায়নি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। লুইস ফাবিয়ানোকে ভাবা হচ্ছিলো পরবর্তী রোনালদো। কিন্তু বেশিদূর এগুতে পারেননি। তাকে নিয়ে ২০১০ সালের বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া ব্রাজিলের প্রত্যাশা ছিল অনেক। কিন্তু সেবার প্রত্যাশার ছিটেফোঁটাও মেটাতে পারেননি তিনি।

richarlison brazil goal

এবার রাশিয়া বিশ্বকাপে যেমনটা করলেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস। ব্রাজিলের ক্লাব ফুটবল থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে এসে দু'বছর যাবত দারুণ খেলছিলেন। সার্জিও আগুয়েরোকে টেক্কা দিচ্ছিলেন জেসুস। বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে চোট পেলেও মনে করা হচ্ছিল জেসুস হবেন ব্রাজিলের তুরুপের তাস। কিন্তু কিসের কি, চূড়ান্ত রকমের ফ্লপ জেসুস।

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে পাঁচ ম্যাচ খেলে একটিও গোল করতে পারেননি তরুণ স্ট্রাইকার। জেসুস গোল করাতেও পারেননি। এই মূহূর্তে ব্রাজিল সমর্থকদের অনেকে হয়তো মনে মনে আফসোস করছেন, ইশ! এই রিচার্লিসনকে যদি বিশ্বকাপ খেলতে নিয়ে যেতেন তিতে (ব্রাজিল কোচ)।

richarlison brazil goal1

আজ প্রীতি ম্যাচে সালভাদরকের বিপক্ষে কি ফুটবলটাই না খেললেন ২১ বছর বয়সী তরুণ। গ্যাব্রিয়েল জেসুস নেই স্কোয়াডে। অপর স্ট্রাইকার রোবের্তো ফিরমিনোকে বেঞ্চে বসিয়ে আজ এভারটনের এই তরুণ স্ট্রাইকারকে মাঠে নামিয়ে দিয়েছিলেন ব্রাজিল কোচ তিতে। তাতেই দেখা মিলল দুর্দান্ত ফুটবল। একজন পারফেক্ট ফলস নাইনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দরকার তড়িৎ লক্ষ্যে শট নেওয়ার ক্ষমতা। আজ মনে হলো যা পুরোপুরিই আছে রিচার্লিসনের মধ্যে।

বক্সে দারুণ শক্তিশালী রিচার্লিসন। ব্রাজিলের হয়ে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমে আজ যে দুটি গোল করলেন দুটিই তড়িৎ শটের ফসল। ম্যাচের ১৬ মিনিটে নেইমারের পাস থেকে গড়ানো বলে বাঁকানো শট। গোলরক্ষকের কিছুই করার ছিল না। ৫০ মিনিটে জটলার মধ্যে বল পেয়ে প্রথম সুযোগেই শট, গোলরক্ষক বুঝে উঠার আগেই গোল। গোল করার পাশাপাশি খেলা বানিয়ে দেওয়ার কাজও দারুণভাবে করেছেন রিচার্লিসন। ইশ, এমন একজন যদি ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে থাকত। দুর্দান্ত দল নিয়ে তাহলে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বুঝি আর ফেরত আসতে হতো না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

Add comment

Security code
Refresh