আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 15 মিনিট আগে

প্রতিবেশি দেশের প্রতি ভারতের পররাষ্ট্র নীতির কঠোর সমালোচক নেপাল এবার নড়েচড়ে বসেছে। দীর্ঘদিন ধরে নেপালের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নয়াদিল্লির যে হস্তক্ষেপ তা ঠেকাতে এবার চীনের দিকে ঝুঁকে পড়েছে দেশটি। ইতোমধ্যে দুই দেশের মাঝে বেশ কয়েকটি সমঝোতা ও চুক্তি সইও হয়েছে।

nepal china 14 agreements

গত ১৯ জুন পাঁচ দিনের সফরে চীন যান নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। গত বৃহস্পতিবার তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার পর ওলির এটা প্রথম চীন সফর।

চীনা সংবাদমাধ্যম সিজিটিএন জানায়, এদিন অবকাঠামো, রেল যোগাযোগ, জ্বালানি, দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্গঠন এবং মানবসম্পদসহ বিভিন্ন খাতে ১৪ সমঝোতা স্মারক সই করে দু’দেশ। দুই নেতা এসব চুক্তি সইয়ের সময় উপস্থিত ছিলেন।

আগের সফরের সময় নেপালের প্রধানমন্ত্রী চীন প্রস্তাবিত বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) প্রকল্পের প্রতি আগ্রহ দেখান। ওই সময় তিনি ১০টি চুক্তি সই করেন। এর মধ্যে রয়েছে নেপাল-চীন রেল যোগাযোগ যাকে ঐতিহাসিক বলে মন্তব্য করেছে চীনের অনেকে।

এই সফরে দুই নেতা যোগাযোগ অবকাঠামো, লজিস্টিকস, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে চীন এবং নেপালের মধ্যকার সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। বিআরআই’র অধীনে নেপাল-চীন অর্থনৈতিক করিডোর পরিকল্পনার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে চেয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী।

দৃশ্যত, ভারতের দীর্ঘদিনের হস্তক্ষেপ থেকে বেরিয়ে আসতে মরিয়া হয়ে উঠেছে নেপাল। ভূ-বেষ্টিত হওয়ার সুযোগ নিয়ে ভারত এতোদিন যে বাড়াবাড়ি করে আসছিল, তার জবাবে চীনকে বিকল্প হিসেবে দেখছেন দেশটির রাজনীতিকরা। নেপালের এমন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন পদক্ষেপ বাংলাদেশসহ ভারতের প্রতিবেশি দেশগুলোর জন্য নিশ্চিত বিশেষ বার্তা বহন করে।

Add comment

Security code
Refresh