advertisement
আপনি দেখছেন

দাবি পূরণ না হলে পহেলা রমজান থেকে কর্মবিরতির ঘোষণা দেওয়ার দেড় ঘণ্টা পরেই বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদের আশ্বাসবাণী শুনে সিদ্ধান্ত তুলে নিলো মাংস ব্যবসায়ীরা। দুই মেয়রের তোফায়েল আহম্মেদ উপস্থিতিতে দ্রুতই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। 

meat traders in dhaka

রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আজ রবিবার মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বলেন, ‘আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে রমজান মাসের প্রথম দিন থেকেই মাংস বিক্রয় করা থেকে বিরত থাকবে বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি।' 

অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির হুমকির ঠিক দেড়ঘণ্টা পরে বাণিজ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সচিবালয়ে রমজান উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় যোগ দেন মাংস ব্যবসায়ীরা। সেখানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে বৈঠকের পরে ধর্মঘট তুলে নেন রবিউল আলম।

সেখানে বাণিজ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে রবিউল আলম বলেন, ‘আপনি ব্যস্ত মানুষ, জাতির বিবেক। বঙ্গবন্ধুর গন্ধ আপনার শরীরে পাওয়া যায়। এত অত্যাচার মাংস ব্যবসায়ীদের উপর হচ্ছে! দেখার কেউ নাই।' কথাগুলো বলতে বলতে এক পর্যায়ে কেঁদে ফেলেন তিনি।

সেসময় বাণিজ্যমন্ত্রী মাংস ব্যবসায়ীদের সমস্যা চিহ্নিত করে খুব শীঘ্রই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়রের উপস্থিতিতে তাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। এসময় সভায় উপস্থিত একজন সাংবাদিক মাংস ব্যবসায়ীরা ১ রমজান থেকে ধর্মঘট ডাকার ঘোষণার খবর জানালে তখন বাণিজ্যমন্ত্রী মাংস ব্যবসায়ীদের এখনই কোনরূপ আন্দোলনে যেতে নিষেধ করেন।

এরপর রবিউল ধর্মঘট থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘এই সরকার আমাদের, এই সরকারের সুনাম রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের। মন্ত্রীর সামনে কথা দিলাম, কোন ধর্মঘটে আমরা যাব না। আমার নেতা যদি চায়, সমস্যা সমাধান হতে এক মিনিটও লাগবে না।'

উল্লেখ্য, চলতি বছর ১৩ ফেব্রুয়ারি একইরকম দাবিতে থেকে ধর্মঘট ডেকেছিল মাংস ব্যবসায়ীর। পরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সমঝোতা করে পাঁচ দিন পর ধর্মঘট প্রত্যাহার করেন তারা।