advertisement
আপনি দেখছেন

রাজধানীতে সিটিং সার্ভিস বাস বন্ধ হবে নাকি থাকবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ৮ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে। এই কমিটি সামনের ৩ মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। পরে সেই প্রতিবেদন দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

sitting service

বিআরটিএ'র পরিচালক শেখ মাহবুব ই রব্বানী বলেন, 'মোটরযান অধ্যাদেশে রাজধানীতে কোন ধরনের সিটিং সার্ভিস বাস চলাচল করার অনুমোদন নেই। বর্তমানে প্রায় সব বাসই সিটিংয়ের নামে বাড়তি ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিআরটিএ অভিযানে নামলে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এক পর্যায়ে মালিক-শ্রমিক নগরীতে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিল।'

তিনি বলেন, 'নগরীতে সিটিং সার্ভিস বন্ধের পর আবারো সাময়িকভাবে চালু হয়। পরে ১৫ দিনের মধ্যে সিটিং সার্ভিস বাস চলাচলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা ছিল। তবে এ বিষয়ে বাস মালিক-শ্রমিক এবং বিআরটিএ এখনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি। পরবর্তিতে আট সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানা গেছে, ৮ সদস্যের এই কমিটির প্রধান মাহবুব ই রব্বানী নিজেই। রাজধানীতে শেষ পর্যন্ত সিটিং সার্ভিস থাকবে কিনা বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আগামী ৩ মাসের মধ্যে প্রতিবেদনটি জমা হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান বলেন, 'রাজধানীতে সিটিং সার্ভিস চললেও বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়া আদায় করতে হবে। বাড়তি ভাড়া আদায় করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্ধারিত ১৫ দিন শেষ হওয়ায় আজ নতুন করে কমিটি গঠন করে তিন মাসের সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে।'

প্রসঙ্গত, জনরোষ আর গণমাধ্যমে সিটিং সার্ভিসের নামে চিটিং নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর ১৫ এপ্রিল থেকে রাজধানীতে সিটিং সার্ভিস বাস চলাচল বন্ধ হয়। পরে বাস-মালিক শ্রমিকরা সড়কে বাস চলাচল কমিয়ে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি করে। পরে ১৯ এপ্রিল আবারো সিটিং সার্ভিস বাস চলাচল শুরু হয়। তখন ১৫ দিন পর সিটিং সার্ভিস বিষয়ে জানানো হবে বলে জানানো হয়েছিল।