advertisement
আপনি দেখছেন

গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগে বর্তমানে কারাবন্দী আছেন জাতীয় দলের বাইরে থাকা পেসার শাহাদাত হোসেন রাজিব। একই অপরাধে কারাবাস করতে হচ্ছে তার স্ত্রী জেসমিন শাহাদাতকেও। শাহাদাত আত্মসমর্পণ করার একদিন আগে মালিবাগ থেকে জেসমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শিশু নির্যাতনের অভিযোগে কারাগারে প্রেরিত হওয়া এই দম্পতিরও একটি শিশু সন্তান আছে। এখনো বুকের দুধ খাওয়া এই শিশু কিভাবে মা- বাবাকে ছাড়া থাকবে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। শাহাদাতের সন্তানকে মায়ের কাছে রাখা বা না রাখার বিষয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপের কথা এখনো জানা যায়নি। ফলে মামলার নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত শাহাদাতের মেয়ের কী হবে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।

এ দিকে শাহাদাত ও তার স্ত্রীর উপর আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তাদের আইনজীবি কাজি নজিবুল্লাহ। তিনি আদালতে বলেন, ‘শাহাদাত জাতীয় দলের ব্যস্ততম ক্রিকেটার। গৃহকর্মী নির্যাতনের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’

আদালত অবশ্য শাহাদাতের আইনজীবির দাবি আমলে নেননি। পরে স্ত্রীর মতো শাহাদাতকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এর আগে শাহাদাতের স্ত্রীকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানায় বাদী পক্ষের আইনজীবি। কিন্তু আদালত তাতে সায় দেননি। কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয়া হয়।

১১ বছর বয়সী গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার ওরফে হ্যাপিকে নির্যাতনের অভিযোগে শাহাদাতের বিরুদ্ধে মামলা করেন মিরপুরের জনৈক বাসিন্দা। মিরপুরের কালসির সাংবাদিক কলোনি থেকে হ্যাপি উদ্ধার করেন তিনি। এরপর থেকেই স্বস্ত্রীক আত্মগোপনে ছিলেন শাহাদাত। পরে গত রোববার শাহাদাতের স্ত্রীকে মালিবাগ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। একদিন পর শাহাদাত আত্মসমর্পণ করেন।

 

আপনি আরো পড়তে পারেন

ষড়যন্ত্রের শঙ্কায় পাপন

একসাথে দুই লজ্জা পেলো ভারত

দ. আফ্রিকা-জিম্বাবুয়ে সফরের জন্য ‘এ’ দল ঘোষণা

sheikh mujib 2020