advertisement
আপনি দেখছেন

ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় সিডরে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিলো। চারিদিকে ছিলো লাশের মিছিল। সিডর আক্রান্তদের দুর্দশা ও ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে কয়েক দিনের মধ্যেই আইডিবি’র মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য এক ব্যক্তি দান করলেন ১৩ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ এক হাজার ৪৬ কোটি টাকা।

abdullah bin abdul aziz

এতোদিন পর্যন্ত সেই নাম না জানা ব্যক্তি সবার অগোচরেই ছিলেন। এমনকি বাংলাদেশ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও জানতেন না কে এতোগুলো টাকা সিডর আক্রান্তদের সাহায্যে দান করেছেন। ঘটনার আট বছর পর সেই দাতার নাম জানা গেলো। তিনি হলেন সৌদি আরবের তৎকালীন বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ।

গত জানুয়ারি মাসে মারা যাওয়া বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজের এই মহানুভবতার কথা জানা গেছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি)’র প্রেসিডেন্ট ড. আহমেদ মোহাম্মদ আলীর মাধ্যমে। বাদশাহর মারা যাওয়া পর্যন্ত তিনি এই কথা গোপন রেখেছিলেন। জানুয়ারিতে বাদশাহর মৃত্যুর পর তিনি এই কথা বাদশাহ আবদুল্লাহর ছেলে প্রিন্স টার্কি বিন আবদুল্লাহকে জানান।

দানের টাকা দিয়ে উপকূলীয় এলাকায় এখনও বিভিন্ন নির্মাণ কাজ চলছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৭৩টি স্কুল-কাম-আশ্রয়কেন্দ্র। এর মধ্যে ৩৪টি চালু হয়েছে এবং ২৭টির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়া দানের টাকায় সিডর আক্রান্ত কৃষক ও জেলে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কৃষি উপকরণ কেনার জন্য বিনাসুদে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২৭টি স্কুল-কাম-আশ্রয়কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে জেনে বাবার এই মহৎকর্মের উদ্বোধন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন প্রিন্স টার্কি বিন আবদুল্লাহ। এই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকারের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করেন আইডিবি’র প্রেসিডেন্ট ড. আহমেদ মোহাম্মদ আলী। আর সেই সুবাদেই বাংলাদেশ জানতে পারে তাঁদের শুভাকাঙ্ক্ষীর নাম।

উদ্বোধন উপলক্ষে আগামি জানুয়ারিতে প্রিন্স টার্কি বিন আবদুল্লাহ ও আইডিবি’র প্রেসিডেন্ট ড. আহমেদ মোহাম্মদ আলীর বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

আপনি আরও পড়তে পারেন

গাড়ি চালকদের নূন্যতম যোগ্যতা হবে এসএসসি: আদালত

চিনি আমদানিতে ভ্যাট, বাড়বে চিনির দাম

রাষ্ট্রপতি: বর্তমান বিশ্ব আরও জটিল হচ্ছে

sheikh mujib 2020