আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 52 মিনিট আগে

বাংলাদেশে প্রতি বছর দেড় লাখেরও বেশি মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে এবং ৯১ হাজার ৩৩৯ জন বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারে মারা যাচ্ছেন। ক্যান্সার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবক্যানের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা ১৩-১৫ লাখ ।

cancer treatment

সোমবার রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর এলাকায় মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘সচেতনতা জীবন বাঁচায়’ শীর্ষক ক্যান্সার সচেতনতামূলক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় ক্যান্সার অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ডা. মো. মাসুমুল হক এ পরিসংখ্যান তুল ধরেন।

সভায় জানানো হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, দেশে ২০৩০ সালের মধ্যে বিভিন্ন প্রকার ক্যান্সারে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে যার মূল ভুক্তভোগী হবে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের জনগণ। বর্তমানে দেশের গড়ে প্রায় ৪ কোটি পূর্ণ বয়স্ক মানুষ বিভিন্ন উপায়ে তামাক ব্যবহার করে। শুধু ধূমপান বর্জন করলে ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি ৩৩ ভাগ পর্যন্ত হ্রাস করা সম্ভব। বর্তমানে বাংলাদেশের পুরুষদের মধ্যে প্রধান তিনটি ক্যান্সার হলো ফুসফুসের ক্যান্সার, মুখ ও মুখগহ্বর এবং খাদ্যনালী ও পাকস্থলীর ক্যান্সার। নারীদের প্রধান তিনটি ক্যান্সার হলো-স্তন ক্যান্সার, জরায়ু ও মুখ ও মুখগহ্বরের ক্যান্সার।

মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্ব সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের দরিদ্র জনগণকে স্বল্প খরচে ক্যান্সার চিকিৎসার সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিক। ১৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮টি বিভাগে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট ক্যান্সার সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর ফলে ক্যান্সারের আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা দেশের সর্বত্র পৌঁছে দেয়া অনেকটাই সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, অসচেতনতার কারণে বিভিন্ন বয়সের মানুষ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তাই খাদ্যাভ্যাসসহ জীবনযাপনের বিভিন্ন ত্রুটি সম্পর্কে সকল বয়সী মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে হবে। তিনি সকল বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদের অবহিত করতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের আহ্বান জানান।