advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 57 মিনিট আগে

সদ্য অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া ডাকসু নির্বাচন নিয়ে খোলাখুলিভাবে নিজের মতামত জানিয়েছেন ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও নির্বাচন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ। টোয়েন্টিফোরলাইভ নিউজপেপারের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক এম এস আই খান মুখোমুখি হয়েছিলেন এই বিশেষজ্ঞের। বিস্তারিত তার কলমে-

dr tofayel ahmed teacher

কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই এতটা হাই-ভোল্টেজ নির্বাচন দেওয়ার পক্ষপাতি না ড. তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, ডাকসু, তাদের কাজটা কি? তাদের কাজ হচ্ছে কো-কারিকুলার ও স্টুডেন্ট অ্যাক্টিভিটিসগুলো করা। কিন্তু এখন তো মনে হচ্ছে তারা বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা চালাবে, দেশের রাজনীতির গতিপ্রবাহ কী হবে, সেটা নির্ধারণ করবে। কিন্তু এই ভূমিকা তো তাদের না। এই কাজ কি তাদের স্ব-আরোপিত?’

তিনি প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমাদের বুদ্ধিজীবিরা যুক্তি দিচ্ছেন- ডাকসু না হলে দেশের নেতৃত্বের বিকাশ হবে না। বাংলাদেশে এখন যে রাজনীতির প্রেক্ষিত, যেখানে দেশের সাধারণ নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত সেখানে ক্যাম্পাসে যদি একটি স্বাভাবিক পরিবেশ থাকত তবে নির্বাচন একটা হতে পারতো। কিন্তু এখন তো স্বাভাবিক পরিবেশও নাই। ওখানে আপনি কী আশা করবেন?’

ড. তোফায়েল বলেন, ‘দেশের এখন যে রাজনৈতিক প্রেক্ষিত, নির্বাচনী প্রেক্ষিত, সেই বাস্তবতায় আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচন যে পদ্ধতিতে হচ্ছে তার বিরোধী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি কোন সুফল বয়ে আনবে না। জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কি শুধু রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে বিখ্যাত হবে? নাকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরো অন্যান্য দিক আছে?’

এই সময়ে কথা বলা অনিরাপদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখন কথা বললে লাঞ্চিত হতে হয়। সত্য বলতে, কিছু মানুষের গুণ্ডামিকে আপনি বৈধতা দিবেন। পূর্বে অবৈধভাবে করত আর এখন নির্বাচনের মাধ্যমে কিছু মানুষের ম্যান্ডেট নিয়ে করবে। এই যদি পরিস্থিতি হয় তাহলে এই সময়ে এই নির্বাচনের কোন অর্থ নেই।’

sheikh mujib 2020