advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 12 মিনিট আগে

কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া খুবই অসুস্থ উল্লেখ করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে ম্যাডাম বমি করেছেন। তার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। মঙ্গলবার নাইকো দর্নীতি মামলার শুনানি শেষে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলে সরকারের কাছে খালেদা জিয়ার সু-চিকিৎসার দাবি করেন। 

khaleda zia in wheel chair

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বেগম জিয়াকে পুরাণ ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ৯নং বিশেষ জজ শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে হাজির হরা হয়। এ সময় তাকে হুইল চেয়ারে বসে আদালতে আসতে দেখা যায়। শুনানি শুরুর আগেই বিএনপি মহাসচিব আদালতে আসেন। তিনি দীর্ঘক্ষণ বেগম জিয়ার সাথে আলাপ করেন।

শুনানি শেষ হয় বেলা ১টা ১৫ মিনিটের দিকে। শুনানি শেষে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা ভালো না। ঠিকভাবে মাথা নাড়াতে পারছেন না। তার সু-চিকিৎসার জন্য সরকারের কাছে দাবি করছি।

এদিন অসুস্থতাজনিত কারণে মওদুদ আহমদ আদলতে উপস্থিত হতে পারেন নি। তার আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ আদালতকে জানায়, মওদুদ সাহেব অসুস্থ। জার্মানিতে তার পায়ের অপারেশন হয়েছে।

এরপর দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, খালেদার পক্ষে মামলাটির চার্জ শুনানির জন্য ধার্য রয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, আমরা আদালতে দুটি আবেদন করেছি। একটি মামলার প্রয়োজনীয় নথির জন্য অপরটি মামলার মুলতবি চেয়ে। আপনি নির্দেশ দেয়ার পরও আমরা মামলার প্রয়োজনীয় নথি পাইনি।

এ সময় বিচারক বলেন, ‌‌‌‌‌‌‌‌দীর্ঘ চার বছর ধরে এই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি চলে আসছে। কিন্তু আপনারা খালেদার পক্ষে অব্যাহতি চেয়ে কোন আবেদন করেননি।

বিচারক মওদুদের আবেদন মঞ্জুর করলেও খালেদার আইনজীবীর নথি চেয়ে যে আবেদন করেছেন তা নামঞ্জুর করেন। খালেদার পক্ষে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১ এপ্রিল নতুন দিন ধার্য করেন বিচারক।

বিচারক এজলাস কক্ষ ত্যাগ করলে খালেদা তার আইনজীবীদের কাছে জানতে চান এতো দিন হয়ে গেলো তারপরেও কেনো অব্যাহতির আবেদন করা হলো না!

তখন আইনজীবী জাকির বলেন, আবেদন রেডি করা আছে। সামনের তারিখে দিয়ে দেবা।

মামলা সূত্রে জানা যায়, কানাডীয় প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তখনকার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় নাইকো দুর্নীতি মামলাটি করেন।

মামলা করার পরের বছর ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

sheikh mujib 2020