advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 32 মিনিট আগে

এমপিওভুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে টানা পাঁচদিন অবস্থানের পর শিক্ষামন্ত্রী আশ্বাস দেয়ার পর আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করেছেন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা। শিক্ষকরা এমপিওভুক্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য প্রেসক্লাবের সামনে গত ২০ মার্চ থেকে অবস্থান করছিলেন। এই কয়েকদিনে অন্তত ১৫জন শিক্ষক ঠাণ্ডা, পানি শূন্যতাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন।

dipu moni press club

রোববার ঘটনাস্থলে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি যান। মন্ত্রী সেখানে এমপিওভুক্তির আশ্বাস দিলে একমাসের আলটিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেন শিক্ষকরা। আগামীকাল সোমবারও শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ও সচিবের বৈঠক হওয়া কথা রয়েছে।

গত ২২ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সোহরাব হোসাইনের সঙ্গে শিক্ষক নেতারা কথা বলেন। এরপর আজ রোববার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী প্রেসক্লাব মোড়ে অবস্থিত কদম ফোয়ারার কাছে শিক্ষকরা যেখানে অবস্থান নিয়েছেন সেখানে আসেন। এ সময় তার সঙ্গে সিনিয়র সচিবসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন।

শিক্ষকদের ডা. দীপু মনি বলেন, 'আমি আপনাদের কষ্টের বিষয়ে অবগত। এমপিওভুক্তি ছাড়া আপনারা যে নিদারুণ কষ্টের জীবনযাপন করেন, সে খবরও আমি জানি। ইতোমধ্যে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আমরা আবেদন গ্রহণ কার্যক্রম শেষ করেছি। যেহেতু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি মানে অর্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়, তাই এটি বাস্তবায়ন করতে নানাপ্রক্রিয়ার প্রয়োজন। সেজন্যই কিছুটা সময় লাগছে।'

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওকরণের বিষয়টি আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে আছে। বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছি। আগামী অর্থবছরে এমপিওভুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হবে। আপনারা বাড়ি ফিরে যান। এভাবে খোলা আকাশের নিচে রোদে কষ্ট করবেন না। আপনাদের কষ্ট লাঘবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি।'

এ ব্যাপারে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারি ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, 'শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণার জন্য আরও দু’এক মাস সময় প্রয়োজন বলে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন। আমরা রাজপথ ছেড়ে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে ফিরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাতে শিক্ষকদের আহ্বান জানিয়েছি। শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি আস্থা রেখে কর্মসূচি প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে এক মাসের মধ্যে দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনে নামা হবে।'

sheikh mujib 2020