advertisement
আপনি দেখছেন

টেকনাফ উপজেলায় কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক রোহিঙ্গা নারী নিহতের কথা জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ রোববার ভোররাত ৪টার দিকে গোলাগুলিতে নিহত রোমানাকে মাদক চোরকারবারি বলছে বিজিবি।

gunfight new

নিহত রোমানা আক্তার (২২) মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের আকিয়াব এলাকা থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন ও টেকনাফের লেদা ক্যাম্পের সি ব্লকের ৬ নং ক্যাম্পে থাকতেন।

টেকনাফ বিজিবি ২ এর ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার শরিফুল ইসলাম জোমাদ্দারের ভাষ্যমতে, নাফনদীর ওমরখালী পয়েন্টে ভোর ৪টার দিকে একটি নৌকাকে থামানোর নির্দেশ দেয় বিজিবির একটি টহল দল। কিন্তু ওই নৌকায় লুকিয়ে থাকা মাদক চোরকারবারিরা প্রথমে বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে।

তিনি আরও বলেন, ‘নৌকাটি তীরের কাছে পৌঁছালে মাদক চোরকারবারিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমাদের ওপর আক্রমণ চালায়। আত্মরক্ষার্থেও বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়।’

বিজিবির ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, ‘পরে অন্যান্য পালিয়ে গেলে ওই নারীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে দুটি ধারালো অস্ত্র ও ১০ হাজার ইয়াবা পিল উদ্ধার করা হয়েছে।’

এদিকে শনিবার দিবাগত রাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার এলাকায় কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই যুবক নিহতের কথা জানিয়েছে পুলিশ। নিহতরা হলেন- আলী আকবর পাড়ার মিয়া হোসেনের ছেলে মাহমুদুর রহমান (২৮) ও নোয়াপাড়ার নুরুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ আশরাফ (২৫)।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাসের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদক উদ্ধার অভিযানে ঘটনাস্থলে গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে অন্যরা পালিয়ে গেলে মাহমুদুর ও আশরাফের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়।

ওসি দাবি করেন, ঘটনাস্থল থেকে ছয়টি এলজি, গুলি ও ১০ হাজার ইয়াবা পিল উদ্ধার করা হয়েছে। ইউএনবি।