advertisement
আপনি দেখছেন

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির পদত্যাগের দাবিতে বরিশাল-কুয়াকাটা সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকালে প্রথমে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জড়ো হয় শিক্ষার্থীরা। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে অবস্থান নেয়। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নানা রকম স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে।

barisal university protest

আন্দোলনকারীরা জানায়, তারা এ আন্দোলন থেকে সরবে না। ভিসি ড. এসএম ইমামুল হকের পদত্যাগ কিংবা তার বাধ্যতামূলক ছুটি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

আন্দোলোনকারী শিক্ষার্থী সজিব উদ্দিন জানান, যতক্ষন পর্যন্ত ভিসি স্যার পদত্যাগ না করবেন ততক্ষণ পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তিনি বলেন, এর আগেও ভিসি স্যার আমাদের বিভিন্ন সময় হেনস্থা করেছেন।

এর আগে শনিবার বরিশাল সার্কিট হাউজের সভাকক্ষে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় বসে বিভাগীয় প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ২৫- সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা করেন সদর আসনের এমপি ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম, সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ, পুলিশ কমিশনার মোশারফ হোসেন, জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমানসহ অন্যরা।

সভা শেষে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম গণমাধ্যমকে জানান, শিক্ষার্থীদের কিছু দাবির সঙ্গে আমরা একমত। তাদের দাবি অনুযায়ী উপাচার্যকে ছুটিতে পাঠানো কিংবা তাকে আর দায়িত্ব পালন করতে না দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে অবহিত করা হবে। পাশাপাশি আবাসিক হল ও ডাইনিং খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এদিকে, উপাচার্যের পদত্যাগ কিংবা তাকে ছুটিতে পাঠানোর বিষয়ে লিখিত প্রমাণ ছাড়া আন্দোলন প্রত্যাহার করতে অসম্মতি জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

তাদের বক্তব্য, উপাচার্যের পদত্যাগ কিংবা ছুটিতে পাঠানোর লিখিত প্রমাণ ছাড়া ক্লাস-পরীক্ষায় কেউ অংশ নেবে না। প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয় চালু রাখলেও ক্লাস-পরীক্ষা চলবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসূচি চলবে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে কোনো ধরনের অনাকঙ্ক্ষিত ঘটনা যেনো সৃষ্টি না হয় সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও তার আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।