advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 32 মিনিট আগে

থ্রি-পিসের লাভজনক ব্যবসার প্রলোভন দিয়ে কলকাতায় নিয়ে আটকে রেখে এক তরুণীকে (১৮) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকালে প্রধান অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন ও তার সহযোগী হালিমা আক্তারকে (২৫) আটক করেছে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ।

deceiver anwar hossain

আনোয়ার মুন্সিগঞ্জের নিয়াচান বালিগন টুঙ্গিপাড়া গ্রামের আহম্মদ হাওলাদারের ছেলে ও তার সহযোগী হালিমা নোয়াখালী সদরের আন্দারচর এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) খাইরুল ইসলাম জানান, তরুণীর কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করে অভিযুক্ত দুই অপরাধী ও ধর্ষণের শিকার তরুণীকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধর্ষণের শিকার তরুণীকে নিয়ে আনোয়ার ও হালিমা ভারত থেকে ফিরলে ওই তরুণী বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাকে গনধর্ষণের বিষয়টি খুলে বলে, সাহায্য চায়। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশ অভিযুক্ত দুই প্রতারককে আটক করে। আজ বুধবার সকালে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বেনাপোল পোর্ট থানায় ভিকটিম তরুণীসহ দুই প্রতারককে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়।

যৌন নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে জানায়, সে ঢাকার একটি গার্মেন্টসের দোকানে চাকরি করার সুবাদে পরিচয় হয় আনোয়ারের স্ত্রীর সাথে। পরে পরিচয় হয় আনোয়ারের সাথেও। আনোয়ার মাঝে মধ্যেই তার দোকানে আসা যাওয়া করতো। একদিন সে তাকে বলে, ভারত থেকে থ্রি-পিস কিনে বাংলাদেশে নিয়ে আসলে ভালো ব্যবসা হবে।

তার কথায় আশ্বস্ত হয়ে গত ৬ এপ্রিল আনোয়ারের স্ত্রী ও তার সহযোগী হালিমা তাকে সাথে করে কলকাতায় আনোয়ারের কাছে নিয়ে যায়। পরে কলকাতার নোভা নামে একটি আবাসিক হোটেলে তাকে নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে জোর করে প্রতিদিন ৭/৮ জন পুরুষ তাকে ধর্ষণ করতো। বিনিময়ে আনোয়ার তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ গ্রহণ করে। ইউএনবি।

sheikh mujib 2020