আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 57 মিনিট আগে

ফেসবুক লাইভে এসে অঝোরে কাঁদলেন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক ফাতেমাতুজ জুহরা। তার অভিযোগ, উপজেলা শিক্ষক সমিতির এক অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তাকে অপমানজনকভাবে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ভাইরাল হয়ে যায়।

fatema tuz johra

লাইভের ভিডিওর সঙ্গে জুহরা দীর্ঘ একটি ক্যাপশন জুড়ে দিয়েছেন। তাতে তিনি লিখেছেন, ‘অনেক কষ্টের পর কান্না করছি। ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে এমপি সাহেবের প্রোগ্রামে যাবার অধিকার আছে আমার। সেটা রাজনৈতিক বা যেকোনো প্রোগ্রাম হোক। শিক্ষকদের নিয়ে একটা প্রোগ্রাম ছিল এমপি সাহেবের। সেই প্রোগামে স্টেজে রাজনৈতিক লোক ছিল। উপজেলা ছাত্রলীগ, পৌর ছাত্রলীগ ছিল। সঙ্গে আমিও। থাকতেই পারি। যদি ছাত্রলীগের কেউ না থাকতো তাহলে একটা কথা ছিল যে, আমি কেন গেছি? এমপি মহোদয়ের প্রোগ্রামে ছাত্রলীগকে দাওয়াত দিতে হয় না, ছাত্রলীগ এমনি যেতে পারে। কাউকে স্টেজ থেকে না নামিয়ে আমাকে কেন নামিয়ে দেয়া হইছে?’

তিনি আরও লিখেন, ‘আল্লাহ আমারে ধৈর্য ধরার শক্তি দিন। আমার উপজেলায় ছাত্রলীগের কিছু ভাই ফেসবুকে পোস্ট করে এবং কমেন্টে আমায় বাজে গালি দিচ্ছে, যা বলার ভাষা নেই, এমনকি হুমকি দিচ্ছে। অনেকে বলছে, এসব সাজানো নাটক আমায় কেউ শিখিয়ে দিচ্ছে আড়াল থেকে। কেউ কিছু শিখিয়ে দেয়নি। মা আমাকে সান্ত্বনা দিছে। মা কথা বলছে পাশ থেকে। হয়ত কান্নার জন্য ভালো করে কথাও বলতে পারিনি। পদ পাবার জন্য নাটক করতে হবে কেন আমায়? আমি কি ঘরে বসে রাজনীতি করি নাকি? আজ আমি নারী বলে অবহেলিত, অসম্মানিত। আমি আমার নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দেখে রাজনীতি করার উৎসাহ পাইছি।’

ঘটনার দিন গত ৬ এপ্রিল জুহরা লাইভটি করেন। এখন পর্যন্ত ভিডিওটি ভিউয়ার ১৮ হাজার এবং শেয়ার হয়েছে ২১৩ জন। এছাড়া পোস্টে ৪৯৯ জন বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেছেন।

ফেসবুক লাইভে এসে এভাবে কান্নাকাটির ঘটনাকে ‘নিছক পাগলামি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুল হাসান ফয়সাল।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে শিক্ষক সমিতির নেতা ও দলের সিনিয়র নেতাদের ছাড়া সবাইকে মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বলেন এমপি আনোয়ার হোসেন খান। এরপর আমরা সবাই নেমে যাই, কিন্তু জুহরা মঞ্চ থেকে না নামায় বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।’