আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 45 মিনিট আগে

ফেনীর সোনাগাজীতে এবার এক শিক্ষার্থীর হাত-পা বেঁধে শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছে দুর্বত্তরা। ঘটনার শিকার আবু সালেহ মিম (২৩) ঢাকার পলিটেকনিক্যালে ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগে শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় সোনাগাজী পৌরসভার চর গণেশ এলাকায় নিজ বাড়িতে ওই শিক্ষার্থীকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

abu saleh mim

স্থানীয়রা তাকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ফেনী জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে এবং পরে সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

শিক্ষার্থীর স্বজনরা জানান, আবু সালেহ মিম ঢাকার পলিটেকনিক্যালে ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগে শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। গত রবিবার তিনি বাড়ি আসেন। বুধবার সন্ধ্যায় চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজন ছুটে এসে আবু সালেহ মিমকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উঠানে পড়ে থাকতে দেখে। এ সময় তার শরীর ও পোশাক কেরোসিন তেলে ভেজা দেখতে পান স্বজনরা।

আবু সালেহর বোন বলেন, দুর্বৃত্তরা কেরোসিন ঢেলে আগুন দিতে চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ভাইয়ের চিৎকারে লোকজন এসে পড়ায় তারা আর আগুন দিতে পারেনি। দ্রুত পালিয়ে যায়।

ভগ্নিপতি মো. সবুজ ইউএনবিকে বৃহস্পতিবার বলেন, দুর্বৃত্তরা ৭/৮ জন সবাই মুখোশপরা ছিল। যার কারণে তাদের চেনা যায়নি।

ফেনী সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আবু তাহের বলেন, ছেলেটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। শরীর না পুড়লেও আতঙ্কগ্রস্ত হওয়ায় অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নন। তাই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ওই শিক্ষার্থীর ওপর হামলার কারণ জানাতে না পারলেও তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম বলেন, প্রতিবেশিদের সাথে তাদের জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ আছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

সোনাগাজী থানার উপপরিদর্শক জসিম উদ্দিন জানান, ঘটনা তারা জেনেছেন। এ ব্যাপারে ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।