advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 32 মিনিট আগে

মহানগরীসহ নয় উপজেলার এক হাজার ২৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২০৯টি পুরানো ও জরাজীর্ণ ভবন ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব ভবনে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটলে বিপদে পড়তে পারে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষক ও অভিভাবকরা আশঙ্কা করছেন, ভবনগুলো মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় বরগুনার মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

risky school buildings

গত ৬ এপ্রিল বরগুনার তালতলী উপজেলায় ছোটবগী পিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ছাদের পলেস্তারা খসে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী নিহত হয়। সেই সাথে আহত হয়েছে আরও তিনজন। এ দুর্ঘটনার মাত্র তিনদিন পর (৯ এপ্রিল) বরগুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিম ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটে। তবে অল্পের জন্য এতে কেউ হতাহত হয়নি।

পলেস্তারা খসে পড়ে শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় গত ৭ এপ্রিল সকল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবন তালিকাভুক্তকরণ এবং ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সেগুলো জানানোর নির্দেশ দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

খুলনা জেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্র জানায়, তারা শহরের ১২৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২০টি ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিপজ্জনক অবস্থার কথা বিবেচনা করে, কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ভবনের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হচ্ছে।

এছাড়া কয়রা উপজেলায় ৩৭টি, ডুমুরিয়ায় ১৪টি, তেরখাদায় ৩০টি, দাকোপে ১৯টি, দিঘলিয়ায় ১২টি, পাইকগাছায় ২৫টি, ফুলতলায় ছয়টি, বটিয়াঘাটায় ৪০টি এবং রূপসা উপজেলায় ছয়টি ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল ভবন চিহ্নিত করেছে জেলা শিক্ষা কার্যালয়।

মহানগরীর নূরনগরের আদর্শ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা এলিজা পারভীন জানান, তাদের স্কুল ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও এখনো ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়নি। ক্লাসের জন্য ব্যবহার উপযোগী না হলেও কক্ষ সঙ্কট থাকার কারণে বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস করানো হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এএসএম সিরাজুদ্দোহা বলেন, নিজ নিজ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শন করে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অধিকাংশ ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ইতিমধ্যেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ঝুঁকি এড়াতে কিছু কিছু বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম অন্য বিদ্যালয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে।

sheikh mujib 2020