advertisement
আপনি দেখছেন

আগামীতে সমাবেশ করার জন্য প্রশাসন থেকে আর কোনো অনুমতি নেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

bnp fokhrul rallyবক্তব্য রাখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রশাসন সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে সকাল ১০টায়। যা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তাই আগামীতে যখন প্রয়োজন হবে, তখন রাজপথে নেমে সমাবেশ করা হবে। কারণ নাগরিক হিসেবে এটা গণতান্ত্রিক অধিকার।

তিনি বলেন, প্রায় ২০ মাস ধরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটক করে রাখা হয়েছে। অথচ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নামে যে মামলা দেয়া হয়েছিল সেগুলো তুলে নেয়া হয়েছে। এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছু নয়। আটকের সময় বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা ছিল ৪টি, তা বেড়ে এখন ৩৭টি করা হয়েছে।

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা সুপরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার পায়তারা করছে। মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। ব্যাংক লুট, শেয়ার বাজার ধসসহ সবক্ষেত্রেই দুর্নীতির মহোৎসব চলছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নেই। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই। সবকিছু নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এ সরকার দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রাখছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ সরকার দখলদারী সরকার। তারা জনগণের নির্বাচিত সরকার নয়। তাদের প্রতি দেশের মানুষের কোনো সমর্থন নেই। তাই দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ সরকারকে উৎখাত করতে হবে।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, নিতাই রায় চৌধুরী, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, আব্দুস সালাম, আমান উল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।