advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 59 মিনিট আগে

বহুল আলোচিত রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজানে হামলা মামলার সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ দুপুরে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আদালতের কাঠগড়ায় থাকা আসামিরা ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি উচ্চারণ করেন।

holly artizan 7 accusedসাত আসামির মৃত্যুদণ্ড

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজিব গান্ধি, মাহমুদুল হাসান মিজান, সোহেল মাহফুজ, রাশিদুল ইসলাম ওরফে রায়াশ, হাদিছুর রহমান সাগর, মামুনুর রশিদ রিপন ও শরিফুল ইসলাম খালেদ। এ রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং বড় মিজান নামে অভিযুক্ত একজনকে খালাসের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এ রায় ঘোষণার পর আল্লাহু আকবর ধ্বনি দেয়া ছাড়াও সাজাপ্রাপ্তরা আদালতে উপস্থিত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের উদ্দেশে করে বলেন, আমাদের বিজয় অতি নিকটে।

এদিকে খালাসপ্রাপ্ত আসামি মিজান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বিচারককে অনেকবার বলেছি যে, আমি সেই বড় মিজান নই, সে অন্য কেউ। এতটা দিন বিনা দোষে আমাকে জেলে রাখা হয়েছে। অবশেষে আল্লাহ আমাকে খালাস দিয়েছেন।’

holly artizan 1 accusedআইএসের টুপি পরে আদালতে এক আসামি

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাকিবুল হাসান রিগ্যানকে আইএসের টুপি পরে আদালতে আসতে দেখা গেছে। পুলিশি হেফাজতে থাকার পরেও তার মাথায় কীভাবে এ টুপি এলো, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রায় ঘোষণার পর বিশেষ নিরাপত্তায় আসামিদের আবারো কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে গত ১৭ নভেম্বর আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৭ নভেম্বর তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এ মামলায় পুলিশ আট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই অভিযোগপত্র জমা দেয়। সে বছরের ২৬ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে আদালত।

গত বছরের ৩ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী রিপন কুমার দাসের ট্রাইব্যুনালের সামনে জবানবন্দি দেয়ার মাধ্যমে এ চাঞ্চল্যকর মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়।

২০১৬ সালের ১ জুলাই ওই ক্যাফেতে সশস্ত্র জঙ্গিরা হামলা চালিয়ে ১৭ বিদেশিসহ ২২ জনকে হত্যা করে। তাদের মধ্যে ইতালির নয়, জাপানের সাত, ভারতের এক, বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত আমেরিকান এক, বাংলাদেশি দুজন নাগরিক এবং দুজন পুলিশ সদস্যও নিহত হন। হামলার পেছনে ২১ জন জড়িত ছিলেন বলে জানা যায়। যাদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৩ জন নিহত হন।

sheikh mujib 2020