advertisement
আপনি দেখছেন

হলি আর্টিজান ক্যাফেতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় আসামিদের আদালতে আনার সময় কারো মাথায় কোনো টুপি ছিল না। কিন্তু রায়ের পর আদালত চত্ত্বরে দুই জঙ্গির মাথায় আইএসের প্রতীক সংবলিত টুপি দেখা গেল। কঠোর নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও তাদের মাথায় এ টুপি কিভাবে এলো, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানান প্রশ্ন।

cafe attack capমৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মাথায় আইএসের প্রতীক সংবলিত টুপি (মাঝে)

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রায় ঘোষণার পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাকিবুল ইসলাম ওরফে রিগ্যান আইএসের প্রতীক সংবলিত টুপি পরে ছিলেন। এরপর প্রিজন ভ্যানে তোলার পর জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী নামের আরো এক জঙ্গিকে কালো কাপড়ে তৈরি একই রকম টুপি পরতে দেখা যায়।

ঘটনাটি জানার পর বিস্ময় প্রকাশ করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, আসামিদের তল্লাশি করেই আদালতে নিয়ে আসা হয়েছে। তারপরও তাদের মাথায় কিভাবে এই টুপি এলো তা তদন্ত করে দেখা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘ব্যাপারটি আমিও জেনেছি, এ নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত। আমি এখনই তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলব’।

রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের কাছে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, বাংলাদেশেও জঙ্গিদের বিচার দ্রুততম সময়ের মধ্যে করা সম্ভব।

এর আগে আলোচিত এ হামলার ঘটনায় বুধবার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান সাত জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে খালাস দেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১ জুলাই হলি আর্টিজান ক্যাফেতে সশস্ত্র জঙ্গিরা হামলা চালিয়ে ১৭ বিদেশিসহ ২২ জনকে হত্যা করে। তাদের মধ্যে ইতালির নয়, জাপানের সাত, ভারতের এক, বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত আমেরিকান এক, বাংলাদেশি দুজন নাগরিক এবং দুজন পুলিশ সদস্যও নিহত হন। হামলার পেছনে ২১ জন জড়িত ছিলেন বলে জানা যায়। যাদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৩ জন নিহত হন।

sheikh mujib 2020