advertisement
আপনি দেখছেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, বিচার বিলম্বিত হলে অবিচার কায়েম হয়। আমাদের দেশ থেকে সবাই মিলে এটি দূর করতে হবে। গতকাল রাতে সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নৈশভোজ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

foreign minister momen 2পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন

সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোঃ জামিলুল হক জামিল এডভোকেটের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক শংকর লাল দাস এডভোকেট এবং জোহরা জেসমিন এডভোকেটের যৌথ সঞ্চালনায় সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির ঐতিহ্য ও ইতিহাসের প্রশংসা করে ড. মোমেন আরও বলেন, আমার বাবা ও মামা সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ছিলেন বলে আমি গর্ববোধ করি। আমার বাবা চেয়েছিলেন আমি ও আমার ভাই যেন আইনজীবী হই কিন্তু আমি সরকারি চাকরি পাওয়ার কারণে আইনে ডিগ্রি অর্জন করলেও আইনজীবী হয়ে উঠিনি।

আগামী সময়টা আমাদের স্বর্ণযুগ উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, আগামী বছর মুজিব বর্ষ এবং তারপর স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি করবে বাংলাদেশ। আমরা সবাই মিলে সময়টাকে আরও উজ্বল করে তুলবো। মেধা ও পরিপক্ষতা দিয়ে এই কাজে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির অনুষ্ঠানে বক্তাদের ১০ তলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণের দাবির প্রেক্ষিতে ভবনটি নির্মাণে সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন বলে আশাবাদ জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেটের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ বজলুর রহমান, সিলেটের মহানগর দায়রা জজ মো. আব্দুর রহিম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ সদস্য এডভোকেট শামীমা আক্তার খানম এমপি, সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফুর রহমান এডভোকেট, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য ও সিলেটের পাবলিক প্রসিকিউটর মিছবাহ উদ্দিন সিরাজ এডভোকেট, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য এ.এফ.এম. রুহুল আনাম চৌধুরী (মিন্টু) এডভোকেট, সিলেটের সরকারি কৌঁসুলি খাদেমুল মিল্লাত মোঃ জালাল এডভোকেট। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হোসেন আহমদ।

এবছর সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মধ্যে আইনপেশায় ২৫ বছর পূর্ণ হওয়া ২৭ আইনজীবী পঙ্কজ কুমার দাস, আতাউর রহমান, দীপর কান্তি দাস পুরকায়স্থ, আক্তার উদ্দিন আহমদ টিটু, বনানী দাস ইভা, মোঃ আনোয়ার হোসেন, শাহ ফরিদ আহমদ, সুরজিত ভট্টাচার্য, আবু ইউসুফ মোঃ নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্দিন আহমদ, সাধন চন্দ্র পাল, মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ সাকী আহমদ, মোর্তুজা আহমদ চৌধুরী, ফয়জুর রহমান চৌধুরী শাহীন, সৈয়দ নুরুল ইসলাম, আব্দুল হাই কাইয়ুম, শাহ আশরাফুল ইসলাম (আশরাফ), মোঃ লুৎফুল মজিদ চৌধুরী, মোঃ কামরুজ্জামান, গোপাল চন্দ্র পাল, মোঃ মাসুক উদ্দিন (শফিক), মোঃ আব্দুস ছালাম চৌধুরী, মোঃ সফিকুর রহমান, মোঃ মামুনুর রশিদ চৌধুরী (মামুন), সৈয়দ মহসিন আহমদ ও মুহিবুর রহমান সেলিম অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথির নিকট থেকে শ্রদ্ধা স্মারক ও সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন।

এবছর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সমিতির সদস্যদের ৩৬ জন মেধাবী সন্তানকে এককালীন বৃত্তি ও সনদ প্রদান করেন অনুষ্ঠানের অতিথিরা। সমিতির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা ছাড়াও সিলেট জজ শিপের বিচারক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ইউএনবি।