advertisement
আপনি দেখছেন

রাজধানীতে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী রাজীব ও মিম নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় আগামীকাল রোববার ঘোষণা করা হবে। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করবেন।

rajib mi studentবাসচাপায় নিহত শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজীব (১৭) ও একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম (১৬)

এর আগে গত ১৪ নভেম্বর আসামি ও রাষ্ট্র পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে আদালত আগামী ১ ডিসেম্বর রোববার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। এ মামলায় উল্লেখিত ৪১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৭ জন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

মামলার অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজীব (১৭) ও একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম (১৬) বাস চাপায় নিহত হন। জাবালে নূর পরিবহনের দুইটি বাস রেষারেষি করতে গিয়ে তাদের চাপা দেয়। এতে আহত হন আরো ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী।

ঘটনার দিনই রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন নিহত মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম। পরে ২০১৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলাম ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপ্রত্র (চার্জশিট) জমা দেন। ২৫ অক্টোবর আদালতের বিচারক ইমরুল কায়েশ আসামিদের অব্যহতির আবেদন না মঞ্জুর করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে।

অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়, ঘটনার দিন দুপুরে জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাসের চালক ও সহকারী অতিরিক্ত যাত্রী ওঠানোর লোভে জিল্লুর রহমান উড়াল সড়কের ঢালে রাস্তা আটকে দাঁড়ায়। এ সময় একই পরিবহনের আরেকটি বাস (ঢাকা-মেট্রো-ব-১১-৯২৯৭) রেষারেষি করতে গিয়ে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা ১৫-২০ জন শিক্ষার্থীর ওপর উঠিয়ে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাজীব ও মিম মারা যান। আহত হন আরো ৯ জন।

এ মামলার ছয় আসামীর মধ্যে জাবালে নূর পরিবহনের মালিক জাহাঙ্গীর আলম, চালক মাসুম বিল্লহ ও জুবায়ের সুমন এবং তাদের সহকারী এনায়েত হোসেন বর্তমানে করাগারে আছেন। তাদের আরেক সহকারী কাজী আসাদ এখনও পলাতক রয়েছেন। এছাড়া একই পরিবহনের আরেক মালিক শাহাদাত হোসেনের মামলা উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে এবং বর্তমানে তিনি জামিনে আছেন।