advertisement
আপনি দেখছেন

ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক দেয়া একটি সাজার আদেশের কপি দিতে বিলম্ব হওয়ায় কারণ হিসেবে জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্টের অভাবের কথা হাইকোর্টকে জানিয়েছেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। আজ রোববার আদালতের তলবে হাজির হয়ে এ কথা বলেন সারোয়ার আলম।

sarowar alamর‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম

তিনি বলেন, একই দিনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। পরে ঢাকায় ফিরে এসে সেগুলোর রায় লিখতে হয়। জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্টের অভাবের ওই রায়ের কপিটি দিতে বিলম্বিত হয়েছে। এ জন্য তিনি আদালতে দুঃখ প্রকাশ ও নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

পরে আদালত র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা করে তাকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যহতি দেন এবং পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক পরিচালিত অভিযানের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন।

হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত একটি দ্বৈতবেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে সারোয়ার আলমের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মাসুদ হাসান চৌধুরী পরাগ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক এক ব্যাক্তিকে দেয়া সাজার আদেশের কপি চার মাসেও দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এর কারণ ব্যাখ্যা করার জন্য সারোয়ার আলমকে তলব করেন হাইকোর্ট। গত ১৮ নভেম্বর আদালত এ আদেশ দেন। এর প্রেক্ষিতেই রোববার সকালে আদালতে হাজির হয়ে সারোয়ার আলম এ বিষয়ে তার যৌক্তিক কারণ তুলে ধরেন।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তপু এন্টারপ্রাইজ নামে একটি পশুখাদ্য প্রস্তুতকারক কারখানার ব্যবস্থাপক মিজান মিয়াকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে ওই সাজার বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য আদেশের কপি চাইলে চার মাসেও সেটি দিতে পারেনি ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর প্রেক্ষিতেই গত ১৭ নভেম্বর আদেশের কপি দিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন মিজান।