advertisement
আপনি দেখছেন

১৫ দফা দাবি আদায়ে পেট্রোল পাম্প মালিক ও শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটে বিপাকে পড়েছেন রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের পরিবহন মালিক ও যাত্রীরা। সোমবার দ্বিতীয় দিনের মত পাম্পগুলো থেকে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ করে ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

petrol pump straikপেট্রলপাম্প ধর্মঘট

মালিকরা বলছেন, আগে কিনে রাখা জ্বালানি ব্যবহার করায় রোববার যান চলাচলে কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু ধর্মঘট যদি চলতে থাকে তাহলে গাড়ি চালানো আর সম্ভব হবে না।

রাজশাহীতে ধর্মঘটের প্রথম দিন যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবে দ্বিতীয় দিনে এসে পরিবহন মালিক ও যাত্রীদের মাঝে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা যাচ্ছে।

বগুড়ার পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ থাকার কারণে উত্তরের অনেক জেলায় বাস চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। শুধুমাত্র সিএনজিচালিত বাস রাস্তায় রয়েছে।

সকালে পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি এমএ মোমিন দুলাল বলেন, তাদের দাবিগুলো নিয়ে সোমবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে বৈঠক হবে। আলোচনা সফল হলে, সে আলোকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সাতক্ষীরায় সকাল থেকে কোনো পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকরা পড়েছেন বিপাকে। যারা ধর্মঘটের খবরে আগাম জ্বালানি তেল সংগ্রহ করেছিলেন তারাই কেবল গাড়ি চালাতে পারছেন।

petrol pump straik2পেট্রলপাম্প ধর্মঘট

সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুরের ভাই ভাই ফিলিং স্টেশনের মালিক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক রোববার থেকে তারা ধর্মঘট পালন করছেন। ফিলিং স্টেশন থেকে কাউকে জ্বালানি তেল দেয়া হচ্ছে না। তাদের ১৫ দফা দাবি না মানা পর্যন্ত এ ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

পাম্পে তেল নিতে আসা ক্রেতা মাহবুবুর রহমান বলেন, ধর্মঘটের খবর ভালোভাবে প্রচার করা হয়নি। ফলে হঠাৎ করেই চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। এমন অবস্থায় খোলা বাজারেও জ্বালানি মিলছে না।

জ্বালানি তেল বিক্রির কমিশন বাড়ানো ও ট্যাংক লরিতে পুলিশের হয়রানি বন্ধসহ ১৫ দফা দাবিতে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংক লরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ রোববার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু করে। ইউএনবি।

sheikh mujib 2020