advertisement
আপনি দেখছেন

মুক্তিযোদ্ধাদের অস্বচ্ছল থাকাটা রাষ্ট্রের জন্য ‘লজ্জার’ আখ্যায়িত করে আদালত বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা তাদের জন্য করুণা নয়, এটা তাদের অধিকার। মঙ্গলবার এক রিটের রায় ঘোষণাকালে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ কথা বলেন।

bangladesh high court new 2019মুক্তিযোদ্ধাদের অস্বচ্ছল থাকাটা রাষ্ট্রের জন্য ‘লজ্জার’ আখ্যা দিয়েছে হাইকোর্ট

মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে দায়ের করা ওই রিটের রায়ে ২০৮ মুক্তিযোদ্ধাকে গেজেটভূক্ত করে ভাতা প্রদানের নিদের্শ দিয়েছেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার তৌফিক এনাম টিপু, অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত বলেন, ‘রায় ঘোষণাকালে আদালত বলেন, যথাসম্ভব স্বশরীরে হাজির হয়ে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই করতে হবে। যদি কোন মুক্তিযোদ্ধাকে গেজেট থেকে বাদ দিতে হয় তাহলে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে, তাদের নোটিশ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনারও নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আদালত ৯০ দিনের মধ্যে রিটকারী ২০৮ মুক্তিযোদ্ধাকে গেজেটভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।’

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে একটি তালিকা পাঠানো হয়। ওই তালিকা যাচাই-বাছাই শেষে ২০১৬ সালে দেশের বিভিন্ন জেলার ২০৮ মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বাতিল করা হয়। এরপর সে বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে একই বছর মুক্তিযোদ্ধারা হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেছিলেন। সেই রুলের ওপর আজ রায় দিলেন হাইকোর্ট। ইউএনবি।