advertisement
আপনি দেখছেন

হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ থাকার পরও মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করায় ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করে হাইকোর্টের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রফিকুল বারী। তলবে স্বশরীরে উপস্থিত হওয়ার নির্ধারিত দিনে হাজির হয়ে তিনি নিঃর্শত ক্ষমা প্রার্থনার পর এ বিষয়ে শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

high court 3কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রফিকুল বারী সতর্ক করেছে হাইকোর্ট

আদালতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন। অন্য পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. আতিকুর রহমান।

ব্যারিস্টার এম. আতিকুর রহমান জানান, ব্যাখ্যায় রফিকুল বারী আদালতকে জানিয়েছেন উচ্চ আদালতের আদেশ বুঝতে না পারায় এমনটা হয়েছে। ভবিষ্যাতে এমন ভুল আর করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর তাকে সতর্ক করে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

এর আগে, গত ১২ নভেম্বর কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. রফিকুল বারীকে তলব করেন হাইকোর্ট।

জানা যায়, গত ২৭ জুন আইনজীবী মো. সাজ্জাদ হোসেন কিশোরগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয় বাদীর পিতা ৯ নং চৌদ্দশত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক খোকার কাছে মো. আতাহার আলী, সিরাজ উদ্দিন, লুৎফর রহমান ওরফে জমশেদ ও মো. জুবায়েরসহ ১৩ জন চাঁদা না পেয়ে হামলা করে। বাদী আইনজীবী হওয়ায় তার প্রভাবে কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি সিদ্ধান্ত নেয় সমিতির সদস্যদের কেউ বাদী হয়ে মামলা করলে সে মামলায় আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী লড়তে পারবেন না।

মামলার ১ থেকে ১১ নম্বর আসামিকে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ আট সপ্তাহের আগাম জামিন দেন। এছাড়া ৩১ জুলাই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম শুরু না হওয়া পর্যন্ত জামিন দেন এবং মামলার কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। এর পরেও মামলার কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন বিচারক। বিষয়টি উচ্চ আদালতের নজরে আসলে ওই বিচারককে তলব করেন। ইউএনবি।