advertisement
আপনি দেখছেন

দুর্নীতির মামলায় কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না বলে মঙ্গলবার মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আদালতে খালেদা জিয়ার দণ্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের প্রতিহিংসার কোনো বিষয় ছিল না।

khaleda prisonদুর্নীতি মামলায় সাজা পেয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দী আছেন খালেদা জিয়া

‘তার জামিনের বিষয়টিও আদালতের এখতিয়ারে। সরকারের এখানে হস্তক্ষেপ করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। বিএনপি আমলে আদালতকে যেভাবে নিজেদের পকেটে রাখা হতো সেই অবস্থা এখন আর নেই। বিচার বিভাগ এখন সম্পূর্ণ স্বাধীন,’ যোগ করেন তিনি।

রাজধানীতে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সরকারি কৌঁসুলিদের (জিপি ও পিপি) জন্য আয়োজিত ২১তম বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের বিষয়ে তিনি জানান, জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে এ আইন সংশোধনের জন্য উত্থাপন করা হবে। ‘বর্তমানে একজন যুগ্ম জেলা জজ ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইনটি সংশোধন হলে যুগ্ম জেলা জজের পাশাপাশি সিনিয়র সহকারী জজ ও সহকারী জজরাও এ মামলাগুলোর বিচার করতে পারবেন। এতে করে মামলা নিষ্পত্তির হার বাড়বে।’

এর আগে অনুষ্ঠানে জিপি ও পিপিদের উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে অবশ্যই আদালতের সময় ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সব নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। আদালতে সঠিক সময়ে সাক্ষী হাজিরসহ নির্ধারিত তারিখে সাক্ষী পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে সচেষ্ট হতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ঢিলেঢালা বা গড়িমসি মনোভাব কাম্য নয়।

‘একবিংশ শতাব্দীর সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য বিচার বিভাগকে আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে সরকার ইতিমধ্যে অনেক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং রূপকল্প-২০২১ এর লক্ষ্যগুলো অর্জনের জন্য আইন মন্ত্রণালয় বিচার বিভাগকে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে আসছে,’ যোগ করেন তিনি।

বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আইন সচিব মো. গোলাম সাওয়ার। ইউএনবি।