advertisement
আপনি দেখছেন

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল রিপোর্ট দাখিল না করায় তাঁর জামিন আবেদনের শুনানি পিছিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা হৈচৈ শুরু করলে এজলাস ছেড়ে উঠে যান প্রধান বিচারপতিসহ ৬ জন বিচারক। আজই শুনানি অনুষ্ঠানের দাবিতে প্রধান বিচারপতির কক্ষে অবস্থান নিয়েছেন খালেদার আইনজীবীরা।

khaleda zia court

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিতে তার স্বাস্থ্যগত পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আজকের মধ্যে (৫ ডিসেম্বর) জমা দেয়ার নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সেইসঙ্গে এদিন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি নেত্রীর জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করা হয়।

আদালত খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানতে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন চাওয়া হলেও গতকাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ জানায়, নির্দেশনা সত্ত্বেও প্রতিবেদন তৈরি করা সম্ভব হয়নি, এজন্য আদালতের কাছে সময় প্রার্থনা করা হবে। ফলে প্রতিভেদন দাখিল করতে পারেনি খালেদার আইনজীবীরা।

গত ১৪ নভেম্বর এ মামলায় হাইকোর্টে খারিজ হওয়া খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আবেদনটি দায়ের করেন। গত ৩১ জুলাই মামলাটিতে তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের সশ্রম দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দী আছেন বিএনপি প্রধান। অরফানেজের মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান তিনি। পরে হাইকোর্ট সাজার মেয়াদ বাড়িয়ে ১০ বছর করে। এ রায়ের বিরুদ্ধে তার আপিল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে।

গত ৬ অক্টোবর আদালতের আদেশে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়। ৮ নভেম্বর তাকে চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের অনুমোদনের পরে খালেদাকে বিএসএমএমইউ থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয় এবং নাইকো দুর্নীতি মামলায় পুরানো কেন্দ্রীয় কারাগারে একটি অস্থায়ী আদালতে হাজির করা হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বর্তমানে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।