advertisement
আপনি দেখছেন

দেশের স্বাধীনতা আনতে গিয়ে ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে পঙ্গুত্ব বরণ করা আরো ৫১ জন যুদ্ধাহত পেলেন মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি। গত মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এর আগে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৬৫তম সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

freedom fighter ministry

এ নিয়ে মোট ৪ হাজার ৫৯৮ জন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্ত হলেন। পঙ্গুত্বের ওপর ভিত্তি করে তাদের চারটি শ্রেণিতে ভাগ করে প্রতি মাসে ২৫ হাজার থেকে ৪৫ হাজার টাকা করে ভাতা দেয় হয়। পাশাপাশি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার উৎসব ও সম্মানী ভাতাসহ দেশ-বিদেশে (ভারত, থ্যাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর) চিকিৎসা সুবিধা পেয়ে থাকেন।

এছাড়াও একজন তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা তার ছেলে-মেয়েদের বিনা বেতনে লেখাপড়ার সুবিধার পাশাপাশি মেয়ের বিয়ের জন্য ভাতা, রেশন কার্ড, সন্তান ও নাতি-নাতনিদের জন্য বঙ্গবন্দু বৃত্তি, শিক্ষা ভাতা পেয়ে থাকেন। এমনকি তাদের বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, পানির বিল ও হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ করা হয়।

নতুন তালিকাভুক্ত হওয়া মুক্তিযোদ্ধারা হলেন- রাজধানী বাড্ডার মো. শফি উল্লাহ, খিলক্ষেতের মো. আব্দুল হাই, মোহাম্মদপুরের মো. একেএম গোলাম মোস্তফা, সাভারের তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, নোয়াখালী জেলার সুধারামের আবুল হাসেম, সোনাইমুড়ির মো. আব্দুল মতিন, সিলেট সদরের নাথুরাম বণিক ও সাইদুর রহমান, সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জের মো. আব্দুল মালেক, ফেঞ্চুগঞ্জের মো. আজমল হোসেন, বিয়ানীবাজারের আক্তার আলী কুতুবউদ্দিন, দক্ষিণ সুরমার মো. সিরাজুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ জেলার দিরাইয়ের নিবারণ দাস, মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ার প্রেমানন্দ রায়।

যশোর সদরের মো. শামসুর রহমান, যশোর জেলার কেশবপুরের মো. মোবারক হোসেন, শার্শার মো. আব্দুল আলী, চৌগাছার মাজেদা বেগম, ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গীর মো. হাবিবুর রহমান ও মিরানাথ গোস্বামী, ফরিদপুর সদরের মো. আব্দুল লতিফ, বরিশাল সদরের শেখ মো. ইউনুছ, গাইবান্ধা সদরের মো. সিরাজুল ইসলাম, দিনাজপুর সদরের কাজী আবদুল মান্নান, চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জের আবুল খায়ের পাটওয়ারী, রংপুর জেলার মিঠাপুকুরের মো. মকবুল হোসেন, টাঙ্গাইল সদরের মেজর মো. সোহরাব আলী (অব.), নওগাঁ জেলার ধামইরহাটের মো. মোকছেদ আলম, মেহেরপুর সদরের মো. খিদির আলী, কক্সবাজার উখিয়ার পরিমল বড়ুয়া।

জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জের হাবিবুর রহমান, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জের মো. নুরুল ইসলাম, লালমনিরহাট জেলার আদিতমারীর ফিরোজুর রহমান, ফেনী সদরের মো. জসিম উদ্দিন, ফেনী জেলার ফুলগাজীর মো. মনির আহমেদ ভূঁইয়া, মাগুরা জেলার শ্রীপুরের মো. গোলাম মোস্তফা, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামের আব্দুল কাদের মোল্লা, মুরাদনগরের খলিলুর রহমান, বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়ার মো. আফজাল হোসেন তালুকদার, ঝালকাঠি সদরের আব্দুল হাকিম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুরের মৃত মোসলেম মিয়া, আখাউড়ার মোখলেছুর রহমান, খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়ের সুবেদার আবুল বশর, বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জের মো. হাসমত আলী মোল্লা, দিনাজপুর সদরের মো. মিজানুর রহমান ও চট্টগ্রাম বায়জিদ বোস্তামীর এস ই ডেভিটও (ইউসুফ)।

এছাড়া সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরের মো. ইদ্রিস আলী ও মো. রহম আলী, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুরের মো. আতাহার হোসেন, দৌলতপুরের মুসলিম উদ্দিন, দিনাজপুর জেলার বিরলের মো. মাইন উদ্দিন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত হলেন।