advertisement
আপনি দেখছেন

বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে সরকারের নেয়া মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নিরলস প্রচেষ্টা চালাতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

president abdul hamid in cuet

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ৪র্থ সমাবর্তনে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে সামনে রেখে একটি তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ‘রূপকল্প ২০২১’ ও ‘রূপকল্প ২০৪১’ সহ শত বছর মেয়াদি ডেল্টা প্ল্যান ২১০০’ ঘোষণা করেছেন। এসব মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা চালাতে হবে।’

তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করে বলেন যে আজকের শিক্ষিত তরুণরাই এ কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বাংলাদেশকে একটি অপার সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, ‘এ দেশের রয়েছে বিপুল মানব সম্পদ, ঊর্বর কৃষিভূমি এবং সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক সম্পদ। জনবহুল এ দেশকে সমৃদ্ধশালী করতে হলে প্রয়োজন পরিকল্পিত উপায়ে বিদ্যমান সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার।’

প্রকৌশলীদের উন্নয়নের কারিগর হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, ‘তাদের মেধা, মনন ও সৃজনশীল চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসে টেকসই উন্নয়নের রূপরেখা। তাই প্রকৌশলীদের চিন্তা ও চেতনায় থাকবে দূরদৃষ্টির সুস্পষ্ট প্রতিফলন।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, আগামী ২০৫০ সালে বা ২১০০ সালে বাংলাদেশের উন্নয়ন কেমন হওয়া উচিত বা বাংলাদেশের অবস্থান কোন স্তরে পৌঁছাবে তা বিবেচনায় রেখেই উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিকেও যথাযথভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। ‘বিশ্বায়নের এই যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আমাদের জ্ঞান ও দক্ষতাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে।’

‘মনে রাখতে হবে, আমরা আজ স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের নাগরিক। আমাদের আত্ম-মর্যাদা সমুন্নত রাখতে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে হবে,’ যোগ করেন আবদুল হামিদ।

চুয়েটের আচার্য আবদুল হামিদ আশা প্রকাশ করেন যে আজকের নবীন প্রকৌশলীরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে উপলব্ধি করবে এবং তাদের সৃজনশীল চিন্তা ও লব্ধ জ্ঞানকে এ লক্ষ্যে কাজে লাগাবে।

অনুষ্ঠানে চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম স্বাগত বক্তব্য দেন। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সমার্বতন বক্তা ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর এ কে আজাদ চৌধুরী। ইউএনবি।